# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বাংলা ছন্দ:
বাংলা ছন্দ তিন প্রকার:
ক.অক্ষরবৃত্ত
খ.বর্নবৃত্ত
গ.স্বরবৃত্ত
ছন্দ – অন্য নাম – বৈশিষ্ঠ্য
অক্ষরবৃত্ত – কলামাত্রিক বা মিশ্রকলামাত্রিক বা যৌগিক ছন্দ – মূল পর্ব ৮ বা ১০ মাত্রার হয়।
ইহাতে সংযুক্ত বা অসংযুক্ত অক্ষর সমান ধরা হয়।
কেষ্টা=কে (১)+ষ্টা (১)=২ অক্ষর
বর্ণবৃত্ত – কলাবৃত্ত বা মাত্রাবৃত্ত বা ধ্বনিপ্রধান ছন্দ – মূল পর্ব সাধারণত ৬ মাত্রার হয়।
ইহাতে সংযুক্ত অক্ষরকে দুই বর্ণ ধরা হয়।
কেষ্টা=কে(১)+ষ্টা(১+১)=৩ অক্ষর
স্বরবৃত্ত- দলবৃত্ত বা লৌকিক বা ছড়ার ছন্দ – মূল পর্ব মাত্রার সংখ্যা ৪।
ইহাতে কেবল স্বর গণনা করা হয়।
যথা-বাঘের=বা(১)+ঘের(১)=২ স্বর
বিভিন্ন প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর
১.বাংলা ছন্দ কত রকমের? (২৫ তম বিসিএস)
-তিন
২.যে ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার, তাকে বলা হয় – (১৭ তম বিসিএস)
-স্বরবৃত্ত
৩.লৌকিক ছন্দ কাকে বলে? (এলজিইডিতেত সহকারী প্রকৌশলী:০৫)
-স্বরবৃত্তকে
৪.ছেলে-ভুলানো ছড়াসহ সাধারণত কোন ছন্দে লেখা হয়? (তথ্য মন্ত্রণালয়ে অধীন প্রোকৌশলী:০৭)
-স্বরবৃত্ত
৫.বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদী এল বান শিব ঠাকুরের বিয়ে হলো তিন কন্যে দান – কোন ছন্দে রচিত হয়েছে?
-স্বরবৃত্ত
বিভিন্ন ছন্দের রূপ
পয়ার – প্রত্যেক চরণে ১৪ অক্ষর থাকে।
৮ ও ১৪ অক্ষরের পর যতি থাকে।
অমিত্রাক্ষর ছন্দ – অন্য নাম – প্রবাহমান অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।
কবিতার চরণের শেষে মিল থাকে না।
অমিত্রাক্ষর ছন্দ পয়ারেরই এক প্রকার ভেদ।
মাইকেল মধূসুদন দত্ত বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তন করেন।
মিত্রাক্ষর ছন্দ – কবিতার চরণের শেষে মিল থাকে।
অসম ছন্দ – ইহা মিত্রাক্ষর ছন্দ। কিন্তু প্রত্যেক চরণের অক্ষর সংখ্যা অসমান।
চরণের মধ্যে যতির স্থান ইচ্ছাধীন।
রবীন্দ্রনাথ বলাকায় এই ছন্দের প্রবর্তন করেন।
স্বরাক্ষরিক ছন্দ – প্রবর্তক: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বিপরীতার্থক শব্দঃ
যে শব্দ অন্য কোন শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বিপরীতার্থক শব্দ বলে।
যেমন—অর্থই অনর্থের মূল।
এখানে অনর্থ অর্থের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করেছে। বিপরীত শব্দ ব্যবহারের ফলে ভাষা সুন্দর ও গতিশীল হয়।
নিচে বিপরীত শব্দের কতিপয় উদাহরণ দেওয়া হলোঃ
# উগ্র-সৌম্য (ডাক বিভাগের পোস্টাল অপারেটর ২০১৬, ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন স্কল/সমপর্যায়, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ১০, প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক ১০, প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ০৯)
# অর্বাচীন-প্রাচীন (জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ২০১৬, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ২০১৫, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ০৭, রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক ১১, প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (ইছামতি)’ ১০, প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক (বেলী) ০৯, প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক (শিউলী) ০৯)
# প্রাচী-প্রতীচী (৮ম বিজেএস (সহকারী জজ) ১৩)
# ‘নৈসর্গিক-কৃত্রিম (সাধারণ পুলের আওতায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সহকারী প্রোগ্রামার, উপসহকারী প্রকৌশলী, প্রশাসনিক কর্মর্তা ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ২০১৬)
# ঔদ্ধত্য-বিনয় (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক ১৩, ৮ম বেসরকারী প্রভাষক নিবন্ধন প্রত্যয়ন পরীক্ষ ১২, রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক ১১)
# ক্ষীয়মাণ-বর্ধমান (NSI সহকারী পরিচালক ২০১৫, ২৫তম বিসিএস, প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক (শাপলা))
# যে শব্দজোড় বিপরীতার্থক নয়: হৃষ্ট-পুষ্ট (৩৫তম বিসিএস)
# উত্তপ্ত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ: শীতল (স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপসহকারী প্রকোশীলী ২০১৬)
# আবির্ভাব এর বিপরীত শব্দ-তিরোভাব (১৩তম শিক্ষক নিবন্ধন স্কুল/সমপর্যায় ২০১৬)
# ‘অলীক’ এর বিপরীত শব্দ-বাস্তব (১৩তম প্রভাষক নিবন্ধন পরীক্ষা কলেজ/সমপর্যায় ২০১৬)
# জঙ্গম-স্থাবর (২৪তম বিসিএস, তথ্য মন্ত্রণালয়ের (গণযোগাযোগ প্রশিক্ষণ) সহকারী পরিচালক ০১, প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ০৯)
# বিরক্ত-অনুরক্ত (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ২০১৫)
# গৃহী-সন্ন্যাসী (৩৩তম বিসিএস, খাদ্য অধিদপ্তরের উপ-খাদ্য পরিদর্শক ১২)
# চঞ্চল-অবিচল (খাদ্য অধিদপ্তরের উপ-খাদ্য পরিদর্শক’১২)
# ঐচ্ছিক-আবশ্যিক (পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার আপারেটর ’১১)
# মনীষা-নির্বোধ (পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার আপারেটর ’১১)
# প্রসন্ন-বিষণ্ন (প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক (পদ্মা) ’১২, প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক (শাপলা) ০৯)
# অনাবিল-আবিল (অর্থ মন্ত্রনালয়ের অফিস সহকারী ১১)
# আকস্মিক-চিরন্তন (রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক ১১)
# ধীর-অধীর (অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী ২০১১)
# নিরাকার-সাকার (প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক ২০১২)
# সঙ্কুচিত-প্রসারিত (চতুর্থ বিজেএস ২০০৯)
# শ্রীযুক্ত-শ্রীহীন (অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী ২০১১)
# হিত-অহিত (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনসার ও ভিডিপি অধি.সার্কেল অ্যাড.২০১০)
# নির্মল-পঙ্কিল (প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক ২০১২)
# কুটিল-সরল (প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক ২০১২)
# অমৃত-গরল(ATEO ২০০৯)
# উৎকর্ষ-অপকর্ষ (অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী ১১)
# হর্ষ-বিষাদ (পরিবার পরিকল্পনা অধি.২০১১)
# অতিকায়-ক্ষুদ্রকায় (তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন গণযোগাযোগ অধি. সহ. তথ্য অফিসার ২০১৩)
# ঝানু-অপটু (খাদ্য অধি. উপ-খাদ্য পরি.২০১২)
# সংশয়-প্রত্যয় (১১তম বিসিএস, পঞ্চম বিজেএস (সহকারী জজ)১০, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ২০১২)
# পাশ্চাত্য-প্রাচ্য (৯নবম শিক্ষক নিবন্ধন ১৩)
# তাপ-শৈত্য (১৫তম বিসিএস; দুর্নীতি দমন ব্যুরোর সহকারী পরিদর্শক ০৪)
# চিরন্তন-ক্ষণকালীন (প্রাক.প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক’১৩ সুরমা)
=============================
অশন – অনশন
প্রতিযোগী – সহযোগী
শ্বাস – প্রশ্বাস
সমক্ষ – পরোক্ষ
হর্ষ – বিষাদ
সন্ধি – বিগ্রহ
সার্থক – ব্যর্থ
সদাচার – কদাচার
সমতল – বন্ধুর
হ্রাস – বৃদ্ধি
অনুগ্রহ – নিগ্রহ
অনুলোম – প্রতিলোম
অনুজ – অগ্রজ
অপকার – উপকার
অমৃত – বিষ, গরল
অনুরক্ত – বিরক্ত
অনুরাগ – বিরাগ
অণু – বৃহৎ
অভিজ্ঞ – অনভিজ্ঞ
অন্ত্য – আদ্য
অর্থ – অনর্থ
অসীম – সসীম
অধম – উত্তম
অর্বাচীন – প্রাচীন
অবিরল – বিরল
অধমর্ণ – উত্তমর্ণ
অনুকূল – প্রতিকূল
আসক্ত – বিরক্ত
অর্জন – বর্জন
অর্পণ – গ্রহণ
অলীক – সত্য
অম্ল – মধুর
অগ্র – পশ্চাৎ
অতিকায় – ক্ষুদ্রকায়
আশু – বিলম্ব
আপত্তি – সম্মতি
আকর্ষণ – বিকর্ষণ
আবির্ভাব – তিরোভাব
আদ্য – অন্ত্য
অবনত – উন্নত
অগ্রগামী – পশ্চাৎগামী
আগমন – প্রত্যাগমন
আচার – অনাচার
আবিল – অনাবিল
আস্তিক – নাস্তিক
আঁঠি – শাঁস
ইহ – পরত্র
ঈষৎ – অধিক
উচ্চ – নীচ
উপরোধ – অনুরোধ
উক্ত – অনুক্ত
ঈদৃশ – তাদৃশ
উগ্র – সৌম্য
উৎকর্ষ – অপকর্ষ
উপসর্গ – অনুসর্গ
ঋজু – বক্র
আসামি – বাদী
আবদ্ধ – মুক্ত
উজান – ভাটি
উদ্ধত – বিনীত
ঐহিক – পারত্রিক
করাল – সৌম্য
একমত – দ্বিমত
কর্কশ – কোমল
ক্রোধ – প্রীতি
ক্ষীণ – পুষ্ট
ক্ষয়িষ্ণু – বর্ধিষ্ণু
ক্ষয় – বৃদ্ধি
ক্ষীয়মাণ – বর্ধমান
গরিষ্ঠ – লঘিষ্ঠ
গুপ্ত – ব্যপ্ত
খাতক – মহাজন
গ্রহীতা – দাতা
গৃহী – সন্ন্যাসী
চেতন – জড়
চোর – সাধু
গৌণ – মুখ্য
চয় – অপচয়
চড়াই – উৎরাই
ঘাত – প্রতিঘাত
গুরু – লঘু
জঙ্গম – স্থাবর
জড় – চেতন
তীব্র – লঘু
তামসিক – রাজসিক
তস্কর – সাধু
টাটকা – বাসি
ঝুনা – কাঁচা
জন্ম – মৃত্যু
তিরস্কার – পুরস্কার
দুঃখ – সুখ
দুর্বার – নির্বার
দূর – নিকট
ধূর্ত – সাধু
নীরস – সরস
নশ্বর – শাশ্বত
নিত্য – নৈমিত্তিক
নিরাকার – সাকার
ধবল – কৃষ্ণ
দুর্লভ – সুলভ
নিঃশ্বাস – প্রশ্বাস
নিরর্থক – সার্থক
নিরক্ষর – সাক্ষর
নিরত – বিরত
প্রাচ্য – প্রতীচ্য
বন্ধুর – মসৃণ
পরকীয় – স্বকীয়
বিনীত – গর্বিত
অল্প – বেশি
আয় – ব্যয়
কাঁচা – পাকা
চঞ্চল – স্থির
বাঁচা – মরা
তরুণ – বৃদ্ধ
সত্য – মিথ্যা
স্বাধীন – পরাধীন
নতুন – পুরাতন
ইচ্ছা – অনিচ্ছা
পুরুষ – নারী
শত্রু – মিত্র
দেনা – পাওনা
সুশ্রী – বিশ্রী
নরম – কঠিন
হার – জিত
*****************************
- খাতক==মহাজন
- প্রাচী==প্রতীচী
- প্রাচ্য==পাশ্চাত্য
- সন্ধি==বিগ্রহ
- আর্বিভাব==তিরোভাব
- প্রসন্ন==বিষণ্ন
- প্রারম্ভ==শেষ
- বিপন্ন==নিরাপদ
- ক্ষীয়মান==বর্ধমান
- আদিষ্ট===নিষিদ্ধ
- আরোহন==অবরোহণ
- আপদ==সম্পদ
- আসামী=ফরিয়াদী
- আবৃত==অনাবৃত
- আকর্ষণ==বিকর্ষণ
- উচাটন==প্রশান্ত
- উৎকর্ষ==অপকর্ষ
- উদ্ধত==বিনীত
- উদার==সংকীর্ণ
- উদ্ভাসিত=ম্রিয়মান
- মূর্ত==বিমূর্ত
- যৌবন==বার্ধক্য
- যাজক==বিয়োজক
- উজার==ভরপুর
- ঋজু==বক্র
- ওস্তাদ==সাগরেদ
- উন্মীলন==নির্মীলন
- উন্নীত==অবনমিত
- প্রচ্ছন্ন==ব্যক্ত
- প্রাচীন==নব্য/নবীন
- নির্মল==পঙ্কিল
- প্রশ্বাস==নিঃশ্বাস
- প্রকৃষ্ট==নিকৃষ্ট
- কৃষ্ণ==শুভ্র
- খিড়কি==সিংহদার
- স্বতন্ত্র==পরতন্ত্র
- গরল==অমৃত
- নিমগ্ন==অধীর
- কৃশকায়==স্থূলকায়
- আর্ভিভূত==তিরোহিত
- আকুঞ্চন==প্রসারণ
- আগমন==নির্গমন/প্রস্থান
- আদিম==অন্তিম
- সকর্মক==অকর্মক
- সংহত==বিভক্ত
- রুদ্ধ==মুক্ত
- মোক্ষ==বন্ধন
- হরদম==কদাচিৎ
- নির্লজ্জ==সলজ্জ
- নিরাশ্রয়==সাশ্রয়
- নিরাকার==সাকার
- নিচেষ্ট==সচেষ্ট
- হর্ষ==বিষাদ
- শীঘ্র==বিলম্ব
- হৃদ্য==ঘৃণ্য
- রুষ্ট==তুষ্ট
- কুপাত==সুপাত
- ক্ষীণ==পুষ্ট
- রুদ্ধ==মুক্ত
- ক্ষিপ্ত==শান্ত
- তীক্ষ্ণ==ভোঁতা
- তিরস্কার==পুরস্কার
- ত্যাজ্য===গ্রাহ্য
- ত্বরিত==শ্লথ
- রিক্ত==পূর্ণ
- জনাকীর্ণ==জনবিরল
- গৃহী==সন্ন্যাসী
- গ্রহীতা==দাতা
- সংযোগ==বিয়োগ
- সচ্ছল==অসচ্ছল
- সংক্ষিপ্ত==বিস্তৃত
- সংকুচিত==প্রসারিত
- লোভী==র্নিলোভী
- আমদানি==রপ্তানি
- আবশ্যক ==অনাবশ্যক
- আদি ==অন্ত
- আদান==প্রদান
- আস্থা==অনাস্থা
- আশা==নিরাশা
- আবিল==অনাবিল
- পূণ্যবান==পূণ্যহীন
- প্রকৃত==অপ্রকৃত
- পূর্ববর্তী==পরবর্তী
- প্রতিযোগী==সহযোগী
- ইতর==ভদ্র
- ইতি==শুরু
- ইচ্ছুক=অনিচ্ছুক
- ইদানীন্তন==তদানীন্তন
- ঈর্ষা==প্রীতি
- ঈদৃশ==তদৃশ
- উদয়==অস্ত
- উত্তপ্ত=শীতল
- উজ্জ্বল==অনুজ্জ্বল
- উর্বর==অনুর্বর
- উপকারিতা==অপকারিতা
- উপস্থিত==অনুপস্থিত
- উড়ন্ত==পড়ন্ত
- উত্থিত==পতিত
- উৎরাই==চরাই
- ঊষর==ঊর্বর
- ঊষা==সন্ধ্যা
- ঊর্ধ্বতন==অধস্তন
- ঊহ্য==স্পষ্ট
- একতা==বিচ্ছিন্নতা
- এঁড়ে==বকনা
- একূল==ওকূল
- ঐহিক==পারত্রিক
- ঐচ্ছিক==আবশ্যিক
- ঐতিহাসিক==অনৈতিহাসিক
- ঔদ্ধত্য==বিনয়
- কঠিন==কোমল
- কনিষ্ঠ==জ্যেষ্ঠ
- কৃতজ্ঞ==কৃতঘ্ন/অকৃতজ্ঞ
- কুৎসিত== সুন্দর
- কাপুরুষ==বীরপুরুষ
- কল্পনা==বাস্তব
- কাজ==বিশ্রাম
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
হঠাৎ
ব্যর্থ
সমস্ত
সদা
পারিভাষিক শব্দ
প্রতিটি শাস্ত্রের নিজস্ব শব্দ আছে যা তার পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে।
নিম্নে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা উল্লেখ করা হলো:
বিদেশি শব্দ | বিদেশি শব্দ | বিদেশি শব্দ | বিদেশি শব্দ | বিদেশি শব্দ | বিদেশি শব্দ |
| Aboriginal | আদিবাসী | A to Z | সম্পূর্ণভাবে | Armour | বর্ম |
| Abbreviation | সংক্ষেপণ | Analogy | উপমা | Assassination | গুপ্তহত্যা |
| Abstract | বিমূর্ত | Anarchy | নৈরাজ্য | Autonomous | স্বায়ত্তশাসিত |
| Anonymous | অনামা | Anatomy | শরীরবিদ্যা | Amicus Curiae | আদালতের বন্ধু |
| Affidavit | হলফনামা | Annotation | টীকা | Autobiography | আত্মজীবনী |
| Amplitude | বিস্তার | Allegory | রূপক | Architect | স্থপতি |
| Amplification | পরিবর্ধন | Attested | সত্যায়িত | Alias | ওরফে |
| Archetype | আদিরূপ | Anticipation | প্রাকচিন্তন | Ambiguous | দ্ব্যর্থক |
| Agora | মুক্তাঞ্চল | Bribe | উৎকোচ/ঘুষ | Background | পটভূমি |
| Bond | প্রতিজ্ঞাপত্র | Biography | কড়চা | Bugger | জঘন্য ব্যক্তি |
| Blockade | অবরোধ | Boycott | বর্জন | Bail | জামিন |
| Blue Print | প্রতিচিত্র | Barren | ঊষর | Caretaker | তত্ত্বাবধায়ক |
| Cancer | কর্কট রোগ | Cabinet | মন্ত্রিপরিষদ | Coup | অভ্যুত্থান |
| Curtail | সংক্ষিপ্ত করা | Coatting | আবরণ | Cartoon | ব্যঙ্গচিত্র |
| Civil Society | সুশীল সমাজ | Chancellor | আচার্য | Cease Fire | অস্ত্র সংবরণ |
| Covenant | চুক্তিপত্র | Circular | প্রচারপত্র | Constipation | কোষ্ঠকাঠিন্য |
| Current Account | চলতি হিসাব | Curfew | সান্ধ্যআইন | Consumer goods | ভোগ্যপণ্য |
| Co-opted | সহযোজিত | Curriculum | পাঠ্যক্রম | Consumer goods | সহকর্মী |
| Climax | মহামুহূর্ত | Dilly dally | অযথা দেরি করা | Equation | সমীকরণ |
| Defence | প্রতিরক্ষা | Deadlock | অচলাবস্থা | Eradicaiton | উচ্ছেদ |
| Divulge | প্রকাশ করা | Executive | নির্বাহী | Epicurism | ভোগবাদ |
| Exhibition | প্রদর্শনী | Excise Duty | আবগারী শুল্ক | Extension | সম্প্রসারণ |
| Embassy | দূতাবাস | Epic | মহাকাব্য | Edition | সংস্করণ |
| Final | সমাপ্তি | Flora | উদ্ভিদকুল | For Good | চিরতরে |
| File | নথি | Filing | নথিভুক্তি | Forgery | জালিয়াতি |
| General Manager | মহাব্যবস্থাপক | Glossary | টীকাপঞ্জি | Hydrogen | উদ্জান |
| Graduate | স্নাতক | Genocide | গণহত্যা | Housing | আবাসন |
| Guideline | নির্দেশনা | Gazette | ঘোষণাপত্র | Hierarchy | আধিপত্য পরম্পরা |
| Handy | ব্যবহারে সুবিধাজনক | Hypothesis | অনুমান | Hightide | জোয়ার |
| Hybrid | সঙ্কর | Homicide | নরহত্যা | Hand bill | প্রচারপত্র |
| Horizontal | অনুভূমিক | Industrious | পরিশ্রমী | Issue | প্রচার |
| Intellectual | বুদ্ধিজীবী | In abeyance | স্থগিত করা | Loggerheads | দা-কুমড়া সম্পর্ক |
| Indigenous | স্বদেশী | Index | সূচক | Lyric | গীতিকবিতা |
| Jerhin | আটসাট জামা | Job | চাকরি | Lease | ইজারা |
| Justification for | সমর্থন | Jail code | কারাবিধি | Lass | বালিকা |
| Key-note | মূলভাব | Knavery | প্রতারণা | Mince | কিমা করা |
| Manager | ব্যবস্থাপক | Modernism | আধুনিকতাবাদ | Migratory bird | অতিথি পাখি |
| Microbiology | অনুজীব বিজ্ঞান | Meteor | উল্কা | Phonology | ভাষার ধ্বনিবিজ্ঞান |
| Nebula | নীহারিকা | Nationalism | জাতীয়তাবাদ | Payer | দাতা |
| Null and void | বাতিল | Nota Bene (N.B) | লক্ষণীয় | Pact | চুক্তি |
| Oxygen | অম্লজান | Odds and ends | এটা সেটা | Pensive | বিষণ্ণ |
| Overrule | বাতিল করা | Obligatory | বাধ্যতামূলক | Postage | ডাকমাশুল |
| Post graduate | স্নাতকোত্তর | Provoke | উস্কানি দেওয়া | Polygamy | বহুবিবাহ |
| Post graduate | সাময়িকী | Parole | সাময়িক মুক্তি | Quarterly | ত্রৈমাসিক |
| Periodical | প্রখ্যাত | Play truant | স্কুল থেকে পালানো | Quorum | গণপূর্তি |
| Radio | বেতার | Relevant | প্রাসঙ্গিক | Quack | হাতুড়ে |
| Review | পুনঃনিরীক্ষণ | Range | এলাকা | Quotation | মূল্যজ্ঞাপন |
| Study Leave | শিক্ষাবকাশ | Surgeon | শল্য চিকিৎসক | sanction | মঞ্জুরি |
| Secretary | সচিব | Stigma | লজ্জা বা কলঙ্ক চিহ্ন | Summit | শীর্ষ |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বাগধারা শব্দের অর্থ কথা বলার "বিশেষ ঢং বা রীতি " । এটা এক ধরনের গভীর ভাব ও অর্থবোধক শব্দ বা শব্দগুচ্ছ । বাগধারা বা বাগ্বিধি কোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছের বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। সাধারণ অর্থের বাইরে যা বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশকরে থাকে তাঁকে বাগ্বিধি বা বাগ্ধারা বলে । যেমন- অরণ্যে রোদন- অর্থ : নিষ্ফল আবেদন = কৃপণের কাছে চাঁদ চাওয়া অরণ্যে রোদন মাত্র।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
প্রবাদ-প্রবচন
লোক সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ প্রবাদ-প্রবচন। 'প্রবাদ' ও 'প্রবচন' মূলত একই অর্থ বহন করে। স্ববাদ হচ্ছে পরম্পরাগত বাক্য, জনশ্রুতি এবং 'প্রবচন' হচ্ছে প্রকৃষ্ট বচন, অর্থাৎ বহু প্রচলিত উক্তি। মানুষের দীর্ঘদিনের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে ঐ সমাজের কোনো সৃষ্টিশীল ব্যক্তি যে চৌকস অভিব্যক্তি বাণীবদ্ধ করে, তাই কালে কালে প্রবাদে পরিণত হয়। যেমন- অতি চালাকের গলায় দড়ি, কয়লা ধুলে ময়লা যায় না ইত্যাদি।
প্রবাদের বৈশিষ্ট্য:
ক. প্রবাদে জাতির দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, পরিণত বুদ্ধি এবং লোকমনে প্রচলিত সত্য কথন প্রকাশিত হয়।
খ. প্রবাদের অবয়ব হলো একটি সংক্ষিপ্ত বাক্য।
গ. উপমা, বক্রোক্তি, বিরোধাভাস প্রভৃতি অলংকারযোগে তা গঠিত হয়।
প্রবাদের শ্রেণিবিভাগ: অর্থ বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রবাদকে নানাভাবে ভাগ করা যায়। যেমন-
১. সাধারণ অভিজ্ঞতাবাচক : চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।
২. নীতিকথামূলক : ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।
৩. ইতিকথামূলক : ধান ভানতে শিবের গীত।
৪. মানবচরিত্র সমালোচনামূলক : গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল।
৫. সামাজিক রীতিনীতিজ্ঞাপক: মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।
৬. প্রসিদ্ধ ঘটনামূলক : লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন।
গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ-প্রবচন:
প্রবাদ | অর্থ | প্রবাদ | অর্থ |
| অতি লোভে তাঁতি নষ্ট | বেশি লোভে ক্ষতি | ধর্মের ঢাক আপনি বাজে | পাপ কখনো চাপা থাকে না |
| অতি দর্পে হত লঙ্কা | অহংকার পতনের মূল | ধর্মের কল বাতাসে নড়ে | অপকর্ম প্রকাশিত হয়ে পড়েই |
| অতি মেঘে অনাবৃষ্টি | অতি আড়ম্বরে কাজ হয় না | ধরাকে সরা জ্ঞান করা | সকলকে তুচ্ছ ভাবা |
| অল্পজলের মাছ | নিতান্তই বোকা | ধরি মাছ না ছুঁই পানি | কৌশলে কার্যোদ্ধার |
| অন্ধকে দর্পণ দেখানো | নির্বোধকে জ্ঞান দান | নাকে তেল দিয়ে ঘুমানো | নিশ্চিত কার্যোদ্ধার |
| অসারের তর্জন গর্জন সার | গুণহীনের বৃথা আস্ফালন | পাকা ধানে মই দেয়া | বিপুল ক্ষতি করা |
| ওঝার ব্যাটা বনগরু | পণ্ডিতের মূর্খ পুত্র | পাপের ধন প্রায়শ্চিত্তে যায় | অসদুপায়ে অর্জিত ধন নষ্ট হয় |
| কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ | কারো সুদিন, কারো দুর্দিন | পর্বতের মুষিক প্রসব | বিপুল উদ্যোগে তুচ্ছ অর্জন |
| কপাল গুণে গোপাল ঠাকুর | অযোগ্যের ভাগ্যগুণে বড় হওয়া | বামন হয়ে চাঁদে হাত | অসম্ভব কিছু পাওয়ার চেষ্টা |
| কাঁচা বাঁশে ঘুন | অল্প বয়সেই স্বভাব নষ্ট হওয়া | বারো মাস ত্রিশ দিন | প্রতিদিন |
| কত ধানে কত চাল | টের পাওয়ানো | বারো মাসে তেরো পার্বণ | উৎসবের আধিক্য |
| খাস তালুকের প্রজা | খুব অনুগত ব্যক্তি | বরের ঘরে পিসী কনের ঘরে মাসী | কুল রক্ষা করে চলা |
| খিচুড়ি পাকানো | বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা | বজ্র আটুনি ফস্কা গেরো | বাহিরে আড়ম্বর ভিতরে শূন্য |
| গন্ধমাদন বয়ে আনা | প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছু আনা | বোঝার উপর শাকের আঁটি | অতিরিক্তের অতিরিক্ত |
| গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল | পাওয়ার আগে ভোগের আয়োজন | বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খাওয়া | ক্ষমতা প্রদর্শন |
| ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসে | অন্যের কষ্ট দেখে আনন্দ প্রকাশ | বিনা মেঘে বজ্রপাত | আকস্মিক বিপদ |
| চাল না চুলো ঢেঁকি না কুলো | নিতান্ত নিঃস্ব | বানরের গলায় মুক্তার হার | অপাত্রে উৎকৃষ্ট সামগ্রী দান |
| জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ | ছোট বড় যাবতীয় কাজ করা | বাজারে কাটা | বিক্রি হওয়া |
| ঝোপ বুঝে কোপ মারা | সুযোগমত কাজ করা | ভদ্রতার বালাই | সাধারণ সৌজন্যবোধ |
| টো টো কোম্পানির ম্যানেজার | ভবঘুরে | মেঘের ছায়া | অশুভ লক্ষণ |
| ঢাক ঢাক গুড় গুড় | গোপন রাখার প্রয়াস | যত দোষ নন্দ ঘোষ | দুর্বলের প্রতি সর্বদা দোষারোপ |
| তেলে মাথায় তেল দেয়া | যার আছে তাকে আরো | শিখণ্ডী খাড়া করা | যার আড়ালে থেকে অন্যায় কাজ করা |
| দুধ কলা দিয়ে সাপ পোষা | শত্রুকে সযত্নে লালন পালন করা | সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে | উভয় কুল রক্ষা |
| ধান ভানতে শিবের গীত | অপ্রাসঙ্গিক কথার অবতারণা | হরি ঘোষের গোয়াল | অনেক লোকের কোলাহল |
প্রবাদ | অর্থ |
| অজার যুদ্ধে আটুনি সার | লঘু ফলাফলযুক্ত আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজন |
| অতি দানে বলির পাতালে হলো ঠাঁই | অন্যের কৌশলে ভোগান্তির শিকার |
| অতি মন্থনে বিষ ওঠে | কোনো বিষয়ে মাত্রাতিরিক্ত আলোড়ন ক্ষতিকর |
| অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট | বেশি লোক কাজের বিশৃঙ্খলা ঘটায় |
| অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী | স্বল্পজ্ঞান নিয়ে বাড়াবাড়ি মূর্খতার পরিচয় |
| অন্ধের হাতি দেখা | অল্পজ্ঞান লাভ করে বিজ্ঞের মতো অভিমত |
| অশ্বত্থামা হত ইতি গজ | কোনো কথা সম্পূর্ণ পরিষ্কার না করে সত্য গোপন |
| আগ নাংলা যে দিকে যায়, পাছ নাংলা সে দিকে যায় | অন্যের দৃষ্টান্ত অনুসরণ |
| আসলে মুষল নাই ঢেঁকি ঘরে চাঁদোয়া | বাইরে বাবুগিরি অথচ ভিতরে সারশূন্য |
| ইটটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয় | যেমন কর্ম তেমন ফল |
| ইল্লত যায়না ধুলে খাসলত যায়না মলে | স্বভাবদোষ হাজার সংশোধনের চেষ্টাতেও দূর হয়না |
| উনো বর্ষায় দুনো শীত | যে বছর কম বৃষ্টি হয়, সে বছরে শীত বেশি পড়ে |
| কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে ঠাস ঠাস | সময়ে কাজে না লাগালে অসময়ে পথে ফেরানো কঠিন |
| চকচক করলেই সোনা হয় না | চেহারাতে আসল গুণ ধরা পড়ে না |
| চেনা বামুনের পৈতা লাগে না | মানী ব্যক্তির পরিচয়ের প্রয়োজন পড়ে না |
| চোরা না শুনে ধর্মের কাহিনী | অসাধুকে উপদেশ দিয়ে সৎ করা যায় না |
| ঝিকে মেরে বৌকে শেখানো | একজনকে বকা দিয়ে অপরকে শিক্ষা দেয়া |
| ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধিরাম সর্দার | যোগ্যতা বা ক্ষমতাহীনের আড়ম্বর |
| দশচক্রে ভগবান ভূত (ভগবান অর্থ- ঈশ্বর) | দশ জনের চক্রান্তে ন্যায়কে অন্যায় করা |
| দেবতার বেলা লীলাখেলা, পাপ লিখেছে মানুষের বেলা | সামাজিক বিধি-বিধানের নিষ্ঠুর প্রয়োগ |
| নাচতে না জানলে উঠোন ভাঙা (বাঁকা) | অকর্মণ্য ব্যক্তি কাজে অসফলতার পর অন্যের দোষ দেয় |
| নিজের চরকায় তেল দেয়া | অন্যের কাজে মাথা না ঘামিয়ে নিজের কাজে মনোযোগ দেয়া |
| পরের ধনে পোদ্দারি / পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙ্গা | অন্যের টাকায় বাহাদুরি / পরকে কষ্ট দিয়ে নিজের স্বার্থোদ্ধার |
| পড়েছি মোগলের হাতে খানা খেতে হবে সাথে | বিপদে পড়ে কাজ করা |
| পুরানো চাল ভাতে বাড়ে | অভিজ্ঞতা বা প্রবীণত্বের মূল্য বেশি |
| পান্তা ভাতে ঘি নষ্ট, বাপের বাড়ি ঝি নষ্ট | দরিদ্রের বড়লোক ভাব দেখানো/অপব্যবহার |
| বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে | জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর |
| বিড়ালের ভাগ্যে শিকা ছেঁড়া | ভাগ্যক্রমে বিনা চেষ্টাতে বাঞ্ছিত বস্তু লাভ |
| বড়র পিরিতি বালির বাঁধ ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষণেকে চাঁদ | উচ্চস্তরের সঙ্গে সম্বন্ধ ক্ষণস্থায়ী |
| মারের ওপর ওষুধ নাই | সহজভাবে কোনো চেষ্টা ব্যর্থ হলে তার উপর নিষ্ঠুর আচরণ |
| যদি হয় সুজন, তেঁতুল পাতায় ন জন | মিলেমিশে কাজ করলে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায় |
| যে দামে কেনা সেই দামে বিক্রি | যা কিনতে অর্থ খরচ হয়নি, তা নষ্ট হলে লাভ ক্ষতির হিসাব চলে না |
| সাত নকলে আসল খাস্তা | নকলের নকলে মূল জিনিস হারিয়ে যায় |
| হবুচন্দ্র রাজার গবুচন্দ্র মন্ত্রী | নির্বোধের পরামর্শে চলা নির্বোধ ব্যক্তি |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ছা-পোষা
উড়ালচন্ডি
ভূশক্তির কফে
আট-কপালে
অন্ধকার
ক্ষণস্থায়ী সুখ
বৃষ্টির পূর্বাভাস
অশুভ লক্ষণ
চোর গেলে বুদ্ধি বাড়ে
গো-মড়কে মুচির পার্বণ
নড়া দাঁত পড়া ভালো
ইটটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয়
বাক্য সংক্ষেপণ/সংকোচন/এক কথায় প্রকাশ
একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংক্ষেপণ বলে। এটি বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশেরই নামান্তর। বাক্য তথা ভাষাকে সুন্দর, সাবলীল ও ভাষার অর্থ প্রকাশের দীপ্তিকে সমুজ্জ্বল করার জন্য বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বহুপদকে একপদে পরিণত করার মধ্য দিয়ে বাক্য বা বাক্যাংশের সংকোচনের কাজ চলে।
ডাক | ||
| অশ্বের ডাক: হেষা | কোকিলের ডাক: কুহু | কুকুরের ডাক: বুক্কন |
| পাখির ডাক: কূজন / কাকলি | পেঁচা বা উল্লুকের ডাক: ঘৃৎকার | বাঘের ডাক: গর্জন |
| ময়ূরের ডাক: কেকা | মোরগের ডাক: শকুনিবাদ | রাজহাঁসের কর্কশ ডাক: ক্রেঙ্কার |
| সিংহের নাদ / ডাক: হুংকার | হাতির ডাক: বৃংহিত / বৃংহণ | |
ধ্বনি | ||
| অলংকারের ধ্বনি: শিঞ্জন | অব্যক্ত মধুর ধ্বনি: কলতান | আনন্দজনক ধ্বনি: নন্দিঘোষ |
| গম্ভীর ধ্বনি: মন্দ্র | ঝনঝন শব্দ : ঝনৎকার | আনন্দের আতিশয্যে সৃষ্ট কোলাহল: হর্রা |
| ধনুকের ধ্বনি: টংকার | বীরের গর্জন: হুংকার | বিহঙ্গের ধ্বনি: কাকলি |
| বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি: ঝংকার | ভ্রমরের শব্দ: গুঞ্জন | শুকনো পাতার শব্দ: মর্মর |
| সেতারের ঝংকার: কিঙ্কিনি | সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ: কল্লোল | |
খোলস / চামড়া / শাবক | ||
| বাঘের চামড়া: কৃত্তি | ব্যাঙের ছানা: ব্যাঙাচি | সাপের খোলস: নির্মোক / কুঞ্চক |
| হাতির শাবক (বাচ্চা): করভ | হরিণের চর্ম/ চামড়া: অজিন | হরিণের চামড়ার আসন: অজিনাসন |
ইচ্ছা | ||
| অনুকরণ করার ইচ্ছা: অনুচিকীর্ষা | অনুসন্ধান করার ইচ্ছা: অনুসন্ধিৎসা | অপকার করার ইচ্ছা: অপচিকীর্ষা |
| উপকার করার ইচ্ছা: উপচিকীর্ষা | উদক / জল পানের ইচ্ছা: উদন্যা | কুৎসা বা অপবাদ রটানোর ইচ্ছা- জুগুপ্সা |
| করার ইচ্ছা: চিকীর্ষা | ক্ষমা করার ইচ্ছা: চিক্ষমিষা | গোপন করার ইচ্ছা: জুগুপ্সু |
| খাইবার ইচ্ছা: ক্ষুধা | গমন করার ইচ্ছা: জিগমিষা | জানবার ইচ্ছা: জিজ্ঞাসা |
| জয় করার ইচ্ছা: জিগীষা | ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা: তিতীর্ষা | দান করার ইচ্ছা: দিৎসা |
| দেখবার ইচ্ছা: দিদৃক্ষা | নিন্দা করার ইচ্ছা: জুগুপ্সা | নির্মাণ করার ইচ্ছা: নির্মিৎসা |
| প্রবেশ করার ইচ্ছা: বিবিক্ষা | প্রতিকার করার ইচ্ছা: প্রতিচিকীর্ষা | পান করার ইচ্ছা: পিপাসা |
| প্রতিবিধান করার ইচ্ছা: প্রতিবিধিৎসা | পাওয়ার ইচ্ছা: ঈপ্সা | প্রিয় কাজ করার ইচ্ছা: প্রিয়চিকীর্ষা |
| বলার ইচ্ছা: বিবক্ষা | বিজয় লাভের ইচ্ছা: বিজিগীষা | বাস করার ইচ্ছা: বিবৎসা |
| বমন করিবার ইচ্ছা: বিবমিষা | বেঁচে থাকার ইচ্ছা: জিজীবিষা | ভোজন করার ইচ্ছা: বুভুক্ষা |
| মুক্তি লাভে/পেতে ইচ্ছুক: মুমুক্ষু | মুক্তি পেতে ইচ্ছা: মুমুক্ষা | মুক্তি পাওয়ার ইচ্ছা: মুক্তিকামী |
| যেরূপ ইচ্ছা: যদৃচ্ছা | যে রূপ করার ইচ্ছা: যদৃচ্ছা | রমণ বা সঙ্গমের ইচ্ছা: রিরংসা |
| লাভ করার ইচ্ছা: লিপ্সা | সেবা করার ইচ্ছা: শুশ্রূষা | সৃষ্টি করার ইচ্ছা: সিসৃক্ষা |
| হিত করার ইচ্ছা: হিতৈষা | হরণ করার ইচ্ছা: জিহীর্ষা | হনন / হত্যা করার ইচ্ছা: জিঘাংসা |
পুরুষ | ||
| পুরুষের কর্ণভূষণ: বীরবৌলি | পুরুষের উদ্দাম নৃত্য: তাণ্ডব | পুরুষের কটিবন্ধ: সরাসন |
| যে দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেনি: অকৃতদার | যে পুরুষ বিয়ে করেনি: অকৃতদার | যে দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেছে: কৃতদার |
| যে পুরুষ বিয়ে করেছে: কৃতদার | যে পুরুষ স্ত্রীর বশীভূত: স্ত্রৈণ | যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর: সুদর্শন |
| যে পুরুষ পত্নীসহ বর্তমান: সপত্নীক | যে পুত্রের মাতা কুমারী: কানীন | যে পুরুষের দাড়ি গোঁফ গজায়নি: অজাতশ্মশ্রু |
| যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে: প্রোষিতপত্নীক / প্রোষিতভার্য | ||
| যে পুরুষ প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকতে দ্বিতীয় দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেছে: অধিবেত্তা / অধিবেদন | ||
নারী | ||
| কুমারীর পুত্র: কানীন | নারীর কটিভূষণ: রশনা | নারীর কোমরবেষ্টনিভূষণ: মেখলা |
| নারীর লীলাময়ী নৃত্য: লাস্য | প্রিয় বাক্য বলে যে: প্রিয়ভাষী | যে নারী প্রিয় কথা বলে: প্রিয়ংবদা |
| যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত: অবীরা | যে নারী সুন্দরী: রমা | যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা: মহাশ্বেতা |
| যে নারীর বিয়ে হয়নি: কুমারী | যে নারী বীর: বীরাঙ্গনা | যে নারীর পতি নেই, পুত্রও নেই: অবীরা |
| যে নারী বার (সমূহ) গামিনী : বারাঙ্গনা | যে নারীর পঞ্চ স্বামী: পঞ্চভর্তৃকা | যে নারীর দুটি মাত্র পুত্র: দ্বিপুত্রিকা |
| যে নারী কলহপ্রিয়: খাপ্তানী | যে মেয়ের বয়স দশ বৎসর : কন্যকা | যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত: শুচিস্মিতা |
| যে নারীর হাসি সুন্দর: সুস্মিতা | যে নারীর বিয়ে হয় না: অনূঢ়া | যে নারীর বিয়ে হয়েছে: ঊঢ়া |
| যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে: বীরপ্রসূ | যে নারীর সন্তান বাঁচে না: মৃতবৎসা | যে নারীর অসূয়া / হিংসা নাই: অনসূয়া |
| যে নারী আনন্দ দান করে: বিনোদিনী | যে নারীর সতীন / শত্রু নেই: নিঃসপ্ত | যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে: নবোঢ়া |
| যে নারীর কোনো সন্তান হয় না: বন্ধ্যা | যে নারীর দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না: অঙ্গনা | যে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় : বিষকন্যকা |
| যে নারী সাগরে বিচরণ করে: সাগরিকা | যে নারী (বা গাভী) দুগ্ধবতী: পয়স্বিনী | অঘটন কাণ্ড ঘটাইতে অতিশয় পারদর্শী যে নারী: অঘটনঘটনপটিয়সী |
| উত্তম বস্ত্রালঙ্কারে সুসজ্জিত নটীগণর নৃত্য: যৌবত | যে নারী শিশুসন্তানসহ বিধবা: বালপুত্রিকা | অবিবাহিতা জ্যেষ্ঠা থাকার পরও যে কনিষ্ঠার বিয়ে হয়: অগ্রোদিধিষু |
| যে নারীর চিত্রে অর্পিতা বা নিবন্ধা: চিত্রার্পিতা | যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় : স্বয়ংবরা | যে নারী (বিবাহিত / অবিবাহিত) চিরকাল পিতৃগৃহবাসিনী: চিরণ্টা |
| যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত: বীরা / পুরন্ধ্রী | যে নারীর নখ শূর্পের (কুলা) মত: শূর্পণখা | যে নারী কখনো সূর্যকে দেখেনি: অসূর্যম্পশ্যা |
| যে নারী অঘটন ঘটাতে পারদর্শী: অঘটনঘটনপটিয়সী | যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা : পরভৃতা / পরভূতিকা | যে নারীর সূর্যও মুখ দেখতে পারে না: অসূর্যম্পশ্যা |
| যে নারী অন্য কারও প্রতি আসক্ত হয় না: অনন্যা | যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে: কাকবন্ধ্যা | যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে: প্রোষিতভর্তৃকা |
| যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী / বাগদত্তা ছিল: অন্যপূর্বা | যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে: অধিবিন্না | |
পত্নী | ||
| একই স্বামীর পত্নী যাহারা: সপত্নী | পত্নীসহ বর্তমান: সপত্নীক | যার স্ত্রী মারা গিয়েছে: বিপত্নীক |
কষ্টকর / সহজে না | ||
| যা কষ্টে নিবারণ করা যায়: দুর্নিবার | যা দমন করা কষ্টকর: দুর্দমনীয় | যা সহজে পাওয়া যায় না: দুষ্প্রাপ্য |
| যা সহ্য করা যায় না: দুর্বিষহ | যা সহজে দমন কর যায় না: দুর্দম | যা কষ্টে জয় করা যায়: দুর্জয় |
| যা সহজে মরে না: দুর্মর | যা কষ্টে অর্জন করা যায়: কষ্টার্জিত | যাহাতে সহজে গমন করা যায় না: দুর্গম |
| যাহা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না: দুর্লঙ্ঘ্য | যা মুছে ফেলা যায় না: দুর্মোচ্য | যা সহজে অতিক্রম করা যায় না: দুরতিক্রম্য |
| যা কষ্টে লাভ করা যায়: দুর্লভ | যা সহজে জানা যায় না: দুর্জেয় | যাহা সহজে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না: দুস্তর |
| যা কষ্টে অতিক্রম করা যায় না: দুরতিক্রম্য | ||
যোগ্য | ||
| আরাধনা করিবার যোগ্য: আরাধ্য | ক্ষমার যোগ্য: ক্ষমার্হ | ঘৃণার যোগ্য: ঘৃণার্হ / ঘৃণ্য |
| ঘ্রাণের যোগ্য: ঘেয় | ক্ষমার অযোগ্য: ক্ষমার্য | জানিবার যোগ্য: জ্ঞাতব্য |
| ধন্যবাদের যোগ্য: ধন্যবাদার্হ | নৌ চলাচলের যোগ্য: নাব্য | প্রশংসার যোগ্য: প্রশংসার্হ |
| ফেলে দেবার যোগ্য: ফেল্না | বরণ করিবার যোগ্য: বরেণ্য | মান-সম্মান প্রাপ্তির যোগ্য: মাননীয় |
| যা চুষে খাবার যোগ্য: চুষ্য | যা চেটে খাবার যোগ্য: লেহ্য | যা চিবিয়ে খাবার যোগ্য: চর্ব্য |
| যা পান করার যোগ্য: পেয় | যা ক্রয় করার যোগ্য: ক্রেয় | যা বিক্রয় করার যোগ্য: বিক্রেয় |
| যা পাঠ করিবার যোগ্য: পাঠ্য | যা খাওয়ার যোগ্য: খাদ্য | রন্ধনের যোগ্য: পাচ্য |
| যা নিন্দার যোগ্য নয়: অনিন্দ্য | যা অন্তরে ঈক্ষণ যোগ্য: অন্তরিক্ষ | স্মরণের যোগ্য: স্মরণার্হ |
উপকার | ||
| যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে: কৃতজ্ঞ | উপকারীর অপকার করে যে : কৃতঘ্ন | যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না: অকৃতজ্ঞ |
বলা | ||
| যা বলা হয়নি: অনুক্ত | যা বলা হয়েছে: উক্ত | যা বলা হবে: বক্তব্য |
| যা বলা উচিত নয়: অকথ্য | যা বলা হচ্ছে: বক্ষ্যমাণ | যা প্রকাশ করা হয়নি: অব্যক্ত |
কথা | ||
| যে বেশি কথা বলে: বাচাল | যিনি কম কথা বলেন: স্বল্পভাষী | যা কথায় বর্ণনা করা যায় না: অবর্ণনীয় |
| যিনি অধিক কথা বলেন না: মিতভাষী | যা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না: অনির্বচনীয় | |
ভবিষ্যৎ | ||
| যা হবে: ভাবি | যা ভবিষ্যতে ঘটবে: ভবিতব্য | যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না: অপরিণামদর্শী |
| যে ভবিষ্যত না ভেবেই কাজ করে: অবিমৃষ্যকারী | অগ্র-পশ্চাৎ বিবেচনা করে কাজ করে না: অবিমৃষ্যকারী | |
নাই / যায় না | ||
| কষ্টে করা যায় যাহা: কষ্টকর | যা জয় করা যায় না: অজয় | কোনোভাবেই যা নিবারণ করা যায় না: অনিবার্য |
| যা প্রতিরোধ করা যায় না: অপ্রতিরোধ্য | যা অতিক্রম করা যায় না: অনতিক্রম্য | যার ঈহা (চেষ্টা) নাই: নিরীহ |
| যাহাতে গমন করা যায় না: অগম্য | যা নিবারণ করা যায় না: অনিবারিত | যা মূল্য দিয়ে বিচার করা যায় না: অমূল্য |
অক্ষি/চক্ষু | ||
| অক্ষির অগোচরে: পরোক্ষ | অক্ষির সমীপে: সমক্ষ | অক্ষিতে কাম যার (যে নারীর): কামাক্ষী |
| অক্ষির অভিমুখে: প্রত্যক্ষ | চোখের কোণ: অপাঙ্গ | চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত: চাক্ষুষ |
| চোখের নিমেষ না ফেলিয়া: অনিমেষ | চোখে দেখা যায় এমন: চক্ষুগোচর | পদ্মের ন্যায় অক্ষি বা চোখ: পুণ্ডরীকাক্ষ |
| যার চক্ষু লজ্জা নেই: নির্লজ্জ / চশমখোর | অক্ষিপত্রের (চোখের পাতা) লোম: অক্ষিপক্ষ | |
জন্ম | ||
| অগ্রে জন্মেছে যে : অগ্রজ | জন্মে নাই যা: অজ | অনুতে বা পশ্চাতে / জন্মেছে যে : অনুজ |
| দুবার জন্মে যা: দ্বিজ | পড়ে জন্মে যা: পঙ্কজ | পূর্বজন্মের কথা স্মরণ আছে যার: জাতিস্মর |
| যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না: ঊষর | যে জমির উৎপাদন শক্তি নেই: অনুর্বর | যে সমাজের (বর্ণের) অন্তদেশে জন্মে : অন্ত্যজ |
| শুভক্ষণে জন্ম যার: ক্ষণজন্মা | সরোবরে জন্মায় যা: সরোজ | যে জমিতে দুবার ফসল জন্মে : দো-ফসলি |
| যে শিশু আটমাসে জন্মগ্রহণ করেছে: আটাসে | পিতার মৃত্যুর পর জন্ম হয়েছে যে সন্তানের: মরণোত্তর জাতক | |
জয়ন্তী | |
| কোনো ঘটনার ৬০ বছর পূর্তিতে অনুষ্ঠান: হীরক জয়ন্তী | জয়সূচক যে উৎসব: জয়ন্তী |
| কেনো ঘটনার ৫০ বছর পূর্তিতে যে অনুষ্ঠান: সুবর্ণ জয়ন্তী | একশত পঞ্চাশ বছর: সার্ধশতবর্ষ |
| কোনো ঘটনার ২৫ বছর পূর্তিতে যে অনুষ্ঠান: রজত জয়ন্তী | জয়ের জন্য যে উৎসব: জয়ন্তী |
দিন | ||
| দিনের সায় (অবসান) ভাগ: সায়াহ্ন | দিন ও রাতের সন্ধিক্ষণ: গোধূলি | দিনের মধ্য ভাগ: মধ্যাহ্ন |
| প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন : প্রভাতকল্প | দিনের পূর্ব ভাগ: পূর্বাহ্ণ | দিনের অপর ভাগ: অপরাহ্ণ |
| দিনের আলো ও সন্ধ্যার আলোর মিলন: গোধূলি | ||
রাত | ||
| গভীর রাত্রি: নিশীথ | রাত্রির প্রথম ভাগ: পূর্বরাত্র | রাত্রির মধ্য ভাগ: মহানিশা |
| রাতের শিশির: শবনম | রাত্রির শেষ ভাগ: পররাত্র | রাত্রিকালীন যুদ্ধ: সৌপ্তিক |
| রাত্রির তিন ভাগ একত্রে: ত্রিযামা | ||
স্থায়ী | ||
| ঘর নাই যার: হা-ঘরে | ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী: ক্ষণস্থায়ী | নষ্ট হওয়াই স্বভাব নয় যার: অবিনশ্বর |
| নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার: নশ্বর | যা কখনো নষ্ট হয় না: অবিনশ্বর | যে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে: উদ্বাস্ত |
| যার বাসস্থান নেই: অনিকেত | যা চিরস্থায়ী নয়: নশ্বর | স্থায়ী ঠিকানা নেই যার: উদ্বাস্তু |
| যা স্থায়ী নয়: অস্থায়ী | যার জ্যোতি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না: ক্ষণপ্রভা | |
রাত | ||
| গভীর রাত্রি: নিশীথ | রাত্রির প্রথম ভাগ: পূর্বরাত্র | রাত্রির মধ্য ভাগ: মহানিশা |
| রাতের শিশির: শবনম | রাত্রির শেষ ভাগ: পররাত্র | রাত্রিকালীন যুদ্ধ: সৌপ্তিক |
| রাত্রির তিন ভাগ একত্রে: ত্রিযামা | ||
পূর্বে | ||
| যা পূর্বে কখনো ঘটেনি: অভূতপূর্ব | যা পূর্বে শোনা যায়নি: অশ্রুতপূর্ব | যা পূর্বে ছিল এখন নেই: ভূতপূর্ব |
| যা পূর্বে দেখা যায়নি: অদৃষ্টপূর্ব | যা পূর্বে চিন্তা করা যায়নি: অচিন্তিতপূর্ব | যা পূর্বে কখনো আস্বাদিত হয় নাই: অনাস্বাদিতপূর্ব |
রচনা | ||
| ইতিহাস রচনা করেন যিনি: ঐতিহাসিক | ব্যাকরণে পণ্ডিত যিনি: বৈয়াকরণ | ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি : ইতিহাসবেত্তা |
| যিনি ভালো ব্যাকরণ জানেন: বৈয়াকরণ | যিনি স্মৃতিশাস্ত্র জানেন: স্মার্ত | যিনি ব্যাকরণ রচনা করেন: ব্যাকরণবিদ |
| স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি : শাস্ত্রজ্ঞ | স্মৃতিশাস্ত্র রচনা করেন যিনি: শাস্ত্রকার | |
গাছ | |
| একবার ফল দিয়ে যে গাছ মারা যায় : ওষধি | ফল পাকলে যে গাছ মারা যায়: ওষধি |
| যে গাছ কোনো কাজে লাগে না: আগাছা | যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না: বনস্পতি |
| যে গাছ থেকে ঔষধ তৈরি হয়: ঔষধি | যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে : পরগাছা |
একই | ||
| একই গুরুর শিষ্য যারা: সতীর্থ | একই সময়ে: যুগপৎ | একই বিষয়ে চিত্ত নিবিষ্ট যাহার: নিবিষ্টচিত্ত |
| একই সময়ে বর্তমান: সমসাময়িক | একই মাতার উদরে জাত যারা সহোদর | |
একই | ||
| একই গুরুর শিষ্য যারা: সতীর্থ | একই সময়ে: যুগপৎ | একই বিষয়ে চিত্ত নিবিষ্ট যাহার: নিবিষ্টচিত্ত |
| একই সময়ে বর্তমান: সমসাময়িক | একই মাতার উদরে জাত যারা সহোদর | |
পর | ||
| পরকে আশ্রয় করিয়া বাঁচিয়া থাকে যে: পরজীবী | পরের অন্নে যে জীবন ধারণ করিয়া থাকে: পরান্নজীবী | পরের দ্বারা প্রতিপালিত যে: পরভূত (কোকিল) |
| পরের শ্রী (উন্নতি) দেখিয়া যাহার মন খারাপ হয়: পরশ্রীকাতর | পরকে প্রতিপালন করে যে: পরভৃৎ (কাক) | |
আপনা | ||
| আপনাকে হত্যা করে যে : আত্মঘাতী | আপনাকে ভুলে থাকে যে : আত্মভোলা | আপনার বর্ণ লুকায় যে : বর্ণচোরা |
| আত্মার সম্বন্ধীয় বিষয়: আধ্যাত্মিক | আপনাকে কেন্দ্র করে যার চিন্তা: আত্মকেন্দ্রিক | আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে : পণ্ডিতম্মন্য |
| আত্মিক আপনাকে সর্বস্ব ভাবে যে : আত্মসর্বস্ব | আপনাকে অত্যন্ত হীন বলিয়া ভাবে যে : হীনমন্য | যে আপনাকে কৃতার্থ মনে করে: কৃতার্থম্মন্য |
| যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না: বর্ণচোরা | ||
মৃত | ||
| জীবিত থেকেও যে মৃত: জীবন্মৃত | মৃতের মত অবস্থা যার: মুমূর্ষু | মরিবেই যাহা: মরণশীল |
| মৃত জীবজন্তু ফেলা হয় যেখানে: ভাগাড় | ||
সমস্ত / সব | ||
| বিশ্বজনের হিতকর: বিশ্বজনীন | যিনি সব কিছুই জানেন: সর্বজ্ঞ | যিনি সর্বত্র ব্যাপিয়া থাকেন: সর্বব্যাপক |
| সমস্ত পদার্থ ভক্ষণ করে যে: সর্বভুক | সকলের জন্য প্রযোজ্য: সর্বজনীন | সর্বজনের হিতকর: সর্বজনীন |
| সকলের জন্য মঙ্গলকর: সর্বজনীন | সর্বজন সম্বন্ধীয়: সার্বজনীন | সকলের জন্য অনুষ্ঠিত: সার্বজনীন |
| সবকিছু গ্রাস করে যে: সর্বগ্রাসী | ||
ব্যয় | ||
| আয় অনুসারে ব্যয় করেন যিনি: মিতব্যয়ী | যে ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে: কৃপণ | যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় : ব্যয়বহুল |
| আয় অনুসারে ব্যয় করেন না যিনি : অমিতব্যয়ী | যে অধিক ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে: ব্যয়কুন্ঠ | |
তুল্য | ||
| আমার তুল্য (সদৃশ): মাদৃশ | ইহার তুল্য: ঈদৃশ | ঋষির তুল্য: ঋষিতুল্য |
| ঋষির ন্যায়: ঋষিকল্প | তার তুল্য: তাদৃশ | দেবতার তুল্য: দেবোপম |
জয় | ||
| ইন্দ্রকে জয় করেন যিনি: ইন্দ্রজিৎ | ইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি: জিতেন্দ্রিয় | জয়ের জন্য যে উৎসব: জয়োৎসব |
| যা কষ্টে লাভ করা যায়: দুর্লভ | যা কষ্টে জয় করা যায়: দুর্জয় | শত্রুকে জয় করেন যিনি : শত্রুজিৎ / পরঞ্জয় |
ক্রম | ||
| এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত: একাদিক্রমে | ক্রমকে বজায় রাখিয়া: যথাক্রমে | ক্রমে ক্রমে আসিয়াছে যাহা: ক্রমাগত |
| বিধিকে অতিক্রম না করে: যথাবিধি | যা ক্রমশ বিস্তীর্ণ হচ্ছে: ক্রমবিস্তার্যমান | যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে: ক্রমবর্ধমান / বর্ধিষ্ণু |
| যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে: ক্ষীয়মান | যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে : অপসৃয়মান | |
কুল | |
| কুলের কীর্তিতে কলঙ্ক লেপন করে যে: কুলাঙ্গার | কুলে কলঙ্ক লেপন করে যে : কুল কলঙ্ক |
| কুলের কীর্তি বর্ধনকারী যে সন্তান: কুলপ্রদীপ | কুলে বিশিষ্ট মর্যাদা আনয়ন করে যে : কুলতিলক |
গমন | ||
| ইতস্তত গমনশীল বা সঞ্চরণশীল: বিসপী | জলে ও স্থলে চরে যে : উভচর | আকাশে গমন / বিচরণ করে যে: বিহগ (পাখি) |
| বাহুতে ভর করে চলে যে: ভুজঙ্গ | বুকে হেঁটে গমন করে যে : উরগ (সাপ) | ত্বরিত গমন করতে পারে যে: তুরগ (ঘোড়া) |
| যে গমন করে না: নগ (পাহাড়) | যে পা দিয়ে চলে না: পন্নগ (সর্প) | যে উরস (বক্ষ) দিয়ে হাঁটে: উরগ (সর্প) |
| সর্বত্র গমন করে যে : সর্বগ | লাফিয়ে চলে যে: প্লবগ (ব্যাঙ / বানর) | যে ভুজের সাহায্যে (এঁকে বেঁকে) চলে: ভুজগ / ভুজঙ্গ (সর্প) |
পদ্ম | ||
| নীল বর্ণ পদ্ম: ইন্দিবর | পদ্মের ডাটা বা নাল: মৃণাল | পদ্মের ঝাড় বা মৃণালসমূহ: মৃণালিনী |
| রক্ত বর্ণ পদ্ম: কোকনদ | শ্বেত বর্ণ পদ্ম: পুণ্ডরীক | |
ক্ষুদ্র | ||
| ক্ষুদ্র গ্রাম: পল্লীগ্রাম | ক্ষুদ্র রথ: রথার্ভক | ক্ষুদ্র জাতীয় বকের শ্রেণি: বলাকা |
| ক্ষুদ্র প্রলয়: খণ্ডপ্রলয় | ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র: ভাঁড় | ক্ষুদ্র ঢাক বা ঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র: নাকাড়া |
| ক্ষুদ্র নদী: সারণি | ক্ষুদ্র চিহ্ন: বিন্দু | ক্ষুদ্র নাটক: নাটিকা |
| ক্ষুদ্র বাগান: বাগিচা | ক্ষুদ্র নালা: নালি | ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড: নুড়ি |
| ক্ষুদ্র অঙ্গ: উপাঙ্গ | ক্ষুদ্র হাঁস: পাতিহাঁস | ক্ষুদ্র বা নিচু কাঠের আসন: পিড়ি |
| ক্ষুদ্র শিয়াল: খেঁকশিয়াল | ক্ষুদ্রকায় ঘোড়া: টাট্টু | ক্ষুদ্র লেবু: পাতিলেবু |
| ক্ষুদ্র কূপ: পাতকুয়া | ক্ষুদ্র লতা: লতিকা | ক্ষুদ্র গাছ: গাছড়া |
| ক্ষুদ্র রাজ: রাজড়া | ক্ষুদ্র ফোঁড়া: ফুসকুড়ি | |
হাত | ||
| হাতের কব্জি: মণিবন্ধ | হাতের তেলো বা তালু: করতল | হাতের চতুর্থ আঙুল: অনামিকা |
| হাতের দ্বিতীয় আঙুল: তর্জনী | হাতের তৃতীয় আঙুল: মধ্যমা | হাতের পঞ্চম আঙুল: কনিষ্ঠা |
| হাতের প্রথম আঙুল (বুড়ো আঙুল): অঙ্গুষ্ঠ | হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত: পাণি | |
বিবিধ বাক্য সংকোচন / সংক্ষেপণ
| অন্য ভাষায় রূপান্তর: অনুবাদ | অন্য ভাষায় রূপান্তরিত: অনূদিত | অন্য লিপিতে রূপান্তর: লিপ্যন্তর |
| অর্থ নাই যাহার: নিরর্থক | অনেকের মধ্যে একজন : অন্যতম | অনেকের মধ্যে প্রধান: শ্রেষ্ঠ |
| অহংকার নেই যার: নিরহংকার | অন্যদিকে মন যার: অন্যমনা | অরিকে / শত্রুকে দমন করে যে : অরিন্দম |
| অকালে পক্ক হয়েছে যা: অকালপক্ব | অরণ্যের অগ্নিকাণ্ড: দাবানল | অকালে উৎপন্ন কুমড়া: অকালকুষ্মাণ্ড |
| অসম সাহস যাহার: অসমসাহসিক | অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার: অনভিজ্ঞ | অতিশয় ঘটা বা জাঁকজমক: আড়ম্বর |
| অপর প্রান্তের হাসি: বক্রোষ্ঠিকা | অনশনে মৃত্যু: প্রায় | অভ্রান্ত জ্ঞান: প্রমা |
| অজকে (ছাগল) গ্রাস করে যা: অজগর | অন্য গতি নাই যার: অগত্যা | অন্ন-ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য: জলপান |
| অবজ্ঞায় নাক উঁচু করেন যিনি : উন্নাসিক | আদি নাই যাহার: অনাদি | আবক্ষ জলে নেমে স্নান: অবগাহন |
| আচরণে যার নিষ্ঠা আছে: নিষ্ঠাবান | আয়ুর পক্ষে হিতকর: আয়ুষ্য | আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার: আস্তিক |
| আকাশ ও পৃথিবী: ক্রন্দসী | স্বর্গ ও মর্ত্য: রোদসী | আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরালোক: ক্রন্দসী |
| আচারে নিষ্ঠা আছে যার: আচারনিষ্ঠ | আশ্বিনমাসের পূর্ণিমা তিথি: কোজাগর | আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার: নাস্তিক |
| ইহলোক সম্পর্কিত: ইহলৌকিক | ইন্দ্রের অশ্ব: উচ্চৈঃশ্রবা | আকাশে (খ-তে) ওড়ে যে বাজি: খ-ধূপ |
| ঈষৎ কম্পিত: আধত | ঈষৎ আমিষ গন্ধ যার: আঁষটে | ইন্দ্রজাল / যাদু জানেন যিনি: ঐন্দ্রজালিক |
| ঈষৎ উষ্ণ: কবোষ্ণ | উচ্চস্থানে অবস্থিত ক্ষুদ্র কুটির: টঙ্গি | উপস্থিত বুদ্ধি আছে যার: প্রত্যুৎপন্নমতি |
| উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান: উপজ্ঞা | এখনও যার বালকত্ব যায়নি: নাবালক | উদয় হইতেছে এমন : উড্ডীন / উড্ডীয়মান |
| এক বিষয়ে যার চিত্ত নিবিষ্ট: একাগ্রচিত্ত | এক বস্তুতে অন্য বস্তুর কল্পনা: অধ্যাস | ঐতিহাসিক কালেরও আগের: প্রাগৈতিহাসিক |
| কর দান করে যে : করদ | কামনা দূর হয়েছে যার: বীতকাম | কোথাও উঁচু কোথাও নিচু: বন্ধুর |
| ক্লান্তি নাই যার: অক্লান্ত | কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই: অক্লান্তকর্মী | কাচের তৈরি বাড়ি: শিশমহল |
| খেয়া পার করে যে : পাটনী | গলায় কাপড় দিয়া: গলবস্ত্র | কাজে যার অভিজ্ঞতা আছে: করিতকর্মা |
| গাছে উঠতে পটু যে : গেছো | গ্রীবা সুন্দর যার: সুগ্রীব | গুরুর বাসগৃহ: গুরুকুল |
| গদ্যপদ্যময় কাব্য: চম্পু | গরুর খুরে চিহ্নিত স্থান: গোষ্পদ | ঘুমে আচ্ছন্ন যে: ঘুমন্ত / সুপ্ত |
| ঘরের অভাব: হা-ঘর | চিন্তার অতীত: চিন্তাতীত | চৈত্র মাসের ফসল: চৈতালি |
| ছল/ ছলনা করিয়া কান্না: মায়াকান্না | জ্বল জ্বল করছে যা: জাজ্বল্যমান | ঠিকমতো নাম-ধাম আছে যাহাতে: ঠিকানা |
| ঠেঙিয়ে ডাকাতি করে যারা: ঠ্যাঙারে | ঢাকায় উৎপন্ন: ঢাকাই | তল স্পর্শ করা যায় না যার: অতলস্পর্শী |
| তৃণাচ্ছাদিত ভূমি: শাদ্বল | দর্শন করা হয়েছে এমন: প্রেক্ষিত | তিন মোহনার মিলন যেখানে: ত্রিমোহনা |
| দেহ সম্বন্ধীয়: দৈহিক | দ্বারে থাকে যে: দৌবারিক | দিনে একবার আহার করে যে: একাহারী |
| দমন করা যায় না যাকে :অদম্য | দমন করা কষ্টকর যাকে: দুর্দমনীয় | দুয়ের মধ্যে একটি: অন্যতর |
| ধুর (তীক্ষ্ণ বুদ্ধি) ধারণ করে যে : ধুরন্ধর | নদী মাতা যার: নদীমাতৃক | ধর্মীয় কাজ করার জন্য তীর্থভ্রমণ: প্রব্রজ্যা |
| নিজেকে বড় ভাবে যে: হামবড়া | ধর্মপুরুষ বা সন্ন্যাসীর পর্যটন: পরিব্রাজন | নদী ভাঙনে সর্বস্বান্ত জনগণ: নদী সিকস্তি |
| নদী মেখলা যে দেশের: নদীমেখলা | নিশাকালে চরে বেড়ায় যে: নিশাচর | নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে: নাবিক |
| ন্যায় শাস্ত্র জানেন যিনি: নৈয়ায়িক | পা থেকে মাথা পর্যন্ত: আপাদমস্তক | পাঠ করিতে হইবে এমন: পঠিতব্য |
| পরকাল সম্পর্কিত: পারলৌকিক | পা ধুইবার জল: পাদ্য | প্রকাশিত হইবে এমন: প্রকাশিতব্য |
| পিতার ভ্রাতা: পিতৃব্য | পথ চলার খরচ: পাথেয় | পূর্ব ও পরের অবস্থা: পৌর্বাপর্য |
| পঙ্ক্তিতে বসার অনুপযুক্ত: অপাঙ্ক্তেয় | পরস্পর আঘাত: সংঘর্ষ | পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভ দিন: পুণ্যাহ |
| পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল: পৌষালি | ফুল হইতে তৈরি: ফুলেল | বাতাসে (ক-তে) চরে যে: কপোত |
| বুঝিতে পারা যায় এমন: বোধগম্য | বিদেশে থাকে যে: প্রবাসী | বেতন নেয়া হয় না যাতে: অবৈতনিক |
| বেলাকে অতিক্রান্ত: উদ্বেল | বৃষ্টির জল: শীকর | বহুর মধ্যে একটি: অন্যতম |
| ভুলহীন ঋষি বাক্য: আপ্তবাক্য | মৃত্তিকা দ্বারা নির্মিত বা তৈরি: মৃন্ময় | মর্মকে পীড়া দেয় যা: মর্মান্তিক / মর্মন্তুদ |
| মর্মভেদ করিয়া যায় যাহা: মর্মভেদী | মধু পান করে যে: মধুকর | মর্মকে স্পর্শ করে এমন: মর্মস্পর্শী |
| মোটাও নয়, রোগাও নয়: দোহারা | মাসের শেষ দিন: সংক্রান্তি | মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে এমন : উপাবৃত্ত |
| মাটির মত রং যার: মেটে | মায়া (ছল) জানে না যে: অমায়িক | মাছিও প্রবেশ করে না যেখানে: নির্মক্ষিক |
| যা স্থলে চরে: স্থলচর | যা জলে চরে : জলচর | যা জলে ও স্থলে চরে: উভচর |
| যা কাঁপছে: কম্পমান | যা গতিশীল: জঙ্গম | যা বার বার দুলছে: দোদুল্যমান |
| যা গতিশীল নয়: স্থাবর | যা বপন কর হয়েছে: উপ্ত | যা চিন্তা করা যায় না: অচিন্তনীয় / অচিন্ত্য |
| যা লাভ করা দুঃসাধ্য: সাধ্যাতীত | যা অবশ্যই ঘটবে: অবশ্যম্ভাবী | যা আঘাত পায়নি: অনাহত |
| যা ধারণ বা পোষণ করে: ধর্ম | যা আহুত (ডাকা) হয়নি: অনাহুত | যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয়: নাতিশীতোষ্ণ |
| যা অধ্যয়ন করা হয়েছে: অধীত | যা আহুত (ডাকা) হয়নি: অনাহুত | যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে: অযত্নলব্ধ |
| যা বহুকাল হতে চলে আসছে : চিরন্তন | যা হেমন্তকালে জন্মে: হৈমন্তিক | যা সহজেই ভেঙ্গে যায়: ভঙ্গুর / ঠুনকো |
| যা বিশ্বাস করা যায় না: অবিশ্বাস্য | যা বালকের মধ্যেই সুলভ: বালসুলভ | যা মুষ্টি দ্বারা পরিমাণ করা যায়: মুষ্টিমেয় |
| যা অতি দীর্ঘ নয়: নাতিদীর্ঘ | যা প্রমাণ করা যায় না: অপ্রমেয় | যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না: অনপনেয় |
| যা অস্ত যাচ্ছে: অস্তায়মান | যা উচ্চারণ করা যায় না: অনুচ্চার্য | যা উচ্চারণ করা কঠিন: দুরুচ্চার্য |
| যা আগুনে পোড়ে না: অগ্নিসহ | যা বহন করা হচ্ছে: নীয়মান | যা অনুভব করা হচ্ছে: অনুভূয়মান |
| যা উপলব্ধি করা হচ্ছে: উপলভ্যমান | যা পুনঃ পুনঃ দুলছে: দোদুল্যমান | যা পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে: দেদীপ্যমান |
| যা দীপ্তি পাচ্ছে: দেদীপ্যমান | যা নিজের দ্বারা অর্জিত: স্বোপার্জিত | যা মাটি ভেদ করিয়া উপরে উঠে: উদ্ভিদ |
| যার অন্য উপায় নাই: অনন্যোপায় | যার কিছুই নেই: নিঃস্ব | যা শল্য ব্যথা দূরীকৃত করে: বিশল্যকরণী |
| যার বিশেষ খ্যাতি আছে: বিখ্যাত | যার কোনো উপায় নাই: নিরুপায় | যার আগমনের কোনো তিথি নেই: অতিথি |
| যার খ্যাতি আছে: খ্যাতিমান | যার তুলনা নাই: অতুলনীয় | যার আকার কুৎসিত: কদাকার |
| যার দুই হাত সমান চলে: সব্যসাচী | যার উদ্দেশ্যে পত্রটি রচিত: প্রাপক | যার বরাহের (শূকর) মতো খুর: বরাখুর |
| যার বেশবাস সংবৃত নয়: অসংবৃত | যার পুত্র নেই: অপুত্রক | যার দাড়ি-গোঁফ উঠেনি: অজাতশ্মশ্রু |
| যার দুটি মাত্র দাঁত: দ্বিরদ (হাতি) | যার চার দিকে স্থল: হ্রদ | যার দুই দিক বা চার দিকে জল: দ্বীপ |
| যার অর্থ নেই: অর্থহীন | যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয়: সংবর্ত | যার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই: অকুতোভয় |
| যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায়: সর্বংসহা | যে জয় লাভে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: সংশপ্তক | যে বিষয়ে মতভেদ নেই এমন: ঐকমত্য |
| যে শুনেই মনে রাখতে পারে: শ্রুতিধর | যে পরের গুণেও দোষ ধরে: অসূয়ক | যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ: শ্বাপদসংকুল |
| যে আকৃষ্ট হচ্ছে: কৃষ্যমাণ | যে তির নিক্ষেপে পটু: তিরন্দাজ | যে সুপথ থেকে কুপথে যায়: উন্মার্গগামী |
| যে অন্য দিকে মন দেয় না: অনন্যমনা | যে বিদ্যা লাভ করেছে: কৃতবিদ্য | যে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে: ত্র্যহস্পর্শ |
| যে আলোতে কুমুদ ফোটে: কৌমুদ | যে প্রবীণ নয়: নবীন | যে গাঁজায় নেশা করে: গেঁজেল |
| যে রব শুনে এসেছে: রবাহুত | যিনি প্রথম পথ দেখান: পথিকৃৎ | যে বিবেচনা না করে কাজ করে: অবিবেচক |
| যেখানে মৃত জন্তু ফেলা হয়: ভাগাড় | যিনি সব জানেন: সবজান্তা | যে ক্রমাগত রোদন করেছে: রোরূদ্যমান |
| যিনি বক্তৃতা দানে পটু: বাগ্মী | যুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি: যুধিষ্ঠির | যুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না: সংশপ্তক |
| যিনি অতিশয় হিসাবি: পাটোয়ারি | রোদে শুকানো আম: আমশি | যুক্তি সংগত নয়: অযৌক্তিক |
| রাহ্ বা রাস্তায় ডাকাতি: রাহাজানি | রেশম দিয়ে নির্মিত: রেশমি | শ্রম করিতে কষ্টবোধ করে যে: শ্রমকাতর |
| লবণ কম দেওয়া হয়েছে এমন: আলুনি | শোনা যায় এমন: শ্রুতিগ্রাহ্য | শুনিতে পারা যায় এমন: শ্রবণীয়/ শ্রাব্য |
| শত্রুকে বধ করে যে: শত্রুঘ্ন | শত্রুকে পীড়া দেয় যে: পরন্তপ | শক্তিকে অতিক্রম না করিয়া: যথাশক্তি |
| শক্তির উপাসনা করে যে: শাক্ত | শ্রম করিতে চাহে না যে: শ্রমবিমুখ | সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা: প্রত্যুদগমন |
| শোনামাত্র যার মনে থাকে: শ্রুতিধর | শত্রুকে হত্যা করেন যিনি: শত্রুঘ্ন | সদ্য দোহনকৃত উষ্ণ দুধ: ধারোষ্ণ |
| সমুদ্রের ঢেউ: ঊর্মি | সজ্ঞানে অন্যায় করে যে: জ্ঞানপাপী | সমুদ্র হতে হিমাচল পর্যন্ত: আসমুদ্রহিমাচল |
| সৈনিকদলের বিশ্রাম শিবির: স্কন্দাবার | স্তন পান করে যে: স্তন্যপায়ী | সবকিছু সহ্য করেন যিনি: সর্বংসহা |
| স্বামীর চিতায় পুড়ে মরা: সহমরণ | স্বাদ গ্রহণ করা হয়েছে এমন: স্বাদিত | হাতির পিঠে আরোহী বসার স্থান: হাওদা |
| হরেক রকম কথা বলে যে: হরবোলা | হিরণ্য / স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত: হিরন্ময় | হয়তো হবে: সম্ভাব্য |
| হাতির বাসস্থান: গজগৃহ | হিত ইচ্ছা করে যে: হিতৈষী | হেমন্তকালে উৎপন্ন ফসল: হৈমন্তিক |
| স্বার্থের জন্য অন্যায় অর্থ প্রদান (ঘুষ): উপদা | সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত: সাবন | |
| অনায়াসে লাভ করা যায় যাহা: অনায়াসলভ্য | অন্যের অপেক্ষা করতে হয় না যাকে: অনপেক্ষ | |
| অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান: পিঁজরাপোল | অন্যের মনোরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ: উপচার | |
| অষ্টপ্রহর (সারাদিন) ব্যবহার্য যা : আটপৌরে | অভ্র (মেঘ) লেহন / স্পর্শ করে যা : অভ্রংলিহ | |
| অর্থ উপার্জন করা যায় যে ফসল হইতে : অর্থকরী | অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের): সেঁজুতি | |
| অহং বা আত্ম সম্পর্কে অতিশয় সচেতনতা: অহমিকা | অকালে যাকে জাগরণ করা হয় : অকালবোধন | |
| অন্তরে জল আছে এমন যে (নদী): অন্তঃসলিলা | অন্ন গ্রহণ করিয়া যে প্রাণধারণ করে: অন্নগত প্রাণ | |
| আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত: আদ্যন্ত / আদ্যোপান্ত | আভিজাত্যপূর্ণ মনে হলেও আসলে অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর: হিংটিংছট্ | |
| আকাশে (খ-তে) চড়ে বেড়ায় যে: আকাশচারী / খেচর | আশি বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি: অশীতিপর | |
| আশীর্বাদ ও অভয়দানসূচক হাতের মুদ্রা: বরাভয় | আল্লাহর দ্বীন/ইসলাম কায়েম ও রক্ষার জন্য যিনি যুদ্ধে নিহত হন: শহিদ | |
| ইহলোকে যা সাধারণ / সামান্য নয়: অলোকসামান্য | ঋণ শোধের জন্য যে ঋণ করা হয় : ঋণার্ণ | |
| ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি: ঋত্বিক | এখনও শত্রু জন্মায় নাই যাহার: অজাতশত্রু | |
| কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়োগ: বুক্নি | কোনটা দিক / বিদিগ এই জ্ঞান নাই যাহার: দ্বিগ্বিদিগজ্ঞানশূন্য | |
| কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা: কিংকর্তব্যবিমূঢ় | কোনো কিছু থেকে যার ভয় নেই: অকুতোভয় | |
| কর্ম সম্পাদনে অতিশয় দক্ষ/পরিশ্রমী: কর্মঠ | জ্ঞান লাভ করা যায় যে ইন্দ্রিয় দ্বারা: জ্ঞানেন্দ্রিয় | |
| চারি শাখা- হস্তী, অশ্ব, রথ ও পদাতিক বিশিষ্ট সেনা: চতুরঙ্গ | দান গ্রহণ করা উচিৎ নয় যার থেকে: অপ্রতিগৃহ্য | |
| জলপানের জন্য দেয় অর্থ: জলপানি (বৃত্তি) | নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল): নিদাঘ | |
| ত্রিকালের ঘটনা জানেন যিনি: ত্রিকালদর্শী / ত্রিকালজ্ঞ | বড় ভাই থাকতে ছোট ভাইয়ের বিয়ে: পরিবেদন | |
| প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মতো অবস্থা: লবেজান | বহু দেখেছে যে / অনেক বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি: বহুদর্শী | |
| বহু ঘর থেকে ভিক্ষা সংগ্রহ করা: মাধুকরী / মধুকরী | মান্যব্যক্তিকে অভ্যর্থনার জন্য কিছুদূর এগিয়ে যাওয়া: প্রত্যুদগমন | |
| বন্দুক বা তির ছোঁড়ার অনুশীলনের জন্য স্থাপিত লক্ষ্য: চাঁদমারি | মান্যব্যক্তি বিদায়কালে কিছুদূর এগিয়ে দেওয়া: অনুব্রজন | |
| যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর: দূরপনেয় | যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না: অনন্য সাধারণ | |
| যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে / যার কিছু নাই: সর্বহারা / হৃতসর্বস্ব | যা তর্কের দ্বারা মীমাংসা করা যায় না: অপ্রত্য | |
| যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক / বিরোধ নেই: অবিসংবাদী | যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না: অজ্ঞাতকুলশীল | |
| যে গাভী প্রসবও করে না, দুধও দেয় না : গোবশা | যে রোগ নির্ণয় করতে হাতড়িয়ে ক্লান্ত: হাতুড়ে | |
| যে এক দরজা থেকে অন্য দরজায় ভিক্ষা করে: মাধুকরী | যে গৃহের বাইরে রাত্রিযাপন করতে ভালোবাসে: বারমুখো | |
| যাহা লোকে প্রায় ভুলিয়া গিয়েছে: বিস্মৃতপ্রায় | যাদের বসতবাড়ি আছে কিন্তু কৃষি জমি নেই: ভূমিহীন চাষী | |
| স্বপ্নে (ঘুমে) শিশুর স্বগত হাসি-কান্না: দেয়ালা | স্বমত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় যে : স্বৈরাচারী | |
| সূর্যের ভ্রমণপথের অংশ বা পরিমাণ: অয়নাংশ | সম্পূর্ণরূপে বিবেচনা করা হয় নাই এমন: অসমীক্ষিত | |
| সর্বদা ইতস্তত ঘুরিয়া বেড়াইতেছে: সততসঞ্চরমান | সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই দণ্ডকাল: ব্রাহ্মমুহূর্ত | |
| জাগিয়া রহিয়াছে এমন: জাগন্ত / জাগরুক জ্বলছে যে অর্চি (শিখা): জ্বলদর্চি | মিলনের ইচ্ছায় নায়ক বা নায়িকার সঙ্কেত স্থানে গমন: অভিসার | |
| যে লেখক অন্যের ভাব, ভাষা প্রভৃতি চুরি করে নিজের নামে চালায়: কুম্ভীলক | ||
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
প্রায় সমোচ্চারিত শব্দ / শব্দজোড়
শব্দজোড়:
বাংলা ভাষায় এমন কিছু শব্দ আছে, যেগুলোর উচ্চারণ এক অথবা প্রায় এক, কিন্তু অর্থ ভিন্ন; এমন যুগল শব্দকে শব্দজোড় বলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এদের বানান ভিন্ন হয়, তবে উচ্চারণ এক হওয়ায় কানে শুনে এদের পার্থক্য করা যায় না। যেমন: অকুল (নীচ বংশ), অকূল (তীরহীন)।
মূলশব্দ | প্রতিশব্দ | মূলশব্দ | প্রতিশব্দ | মূলশব্দ | প্রতিশব্দ | মূলশব্দ | প্রতিশব্দ |
| অংশ | ভাগ | অভি | সম্মুখ/সমীপে | অটনি | ধনুকের অগ্রভাগ | অবদ্য | নিন্দনীয় |
| অংস | কাঁধ বা স্কন্ধ | অভী | ভয়হীন | অটবি | অরণ্য | অবধ্য | বধের অযোগ্য |
| অসুর | দানব/দৈত্য | অসার | বাজে | অনিষ্ট | অপকার | অশ্ব | ঘোড়া |
| অশূর | যে বীর নয় | অসাড় | সাড়হীন | অনিষ্ঠ | নিষ্ঠাহীন | অশ্ম | পাথর |
| অন্ত | মৃত্যু | অন্য | অপর | অণু | ক্ষুদ্রতম অংশ | অর্তি | পীড়া |
| অন্ত্য | শেষ | অন্ন | ভাত | অনু | পশ্চাৎ | অর্থী | ইচ্ছুক |
| অনুসৃতি | অনুসরণ | অর্ঘ | মূল্য | অনুপ | উপমাহীন | অশীতি | আশি, ৮০ |
| অনুস্মৃতি | স্মৃতিচারণ | অর্ঘ্য | পূজার উপকরণ | অনূপ | জলা, বিল | অসিত | কৃষ্ণবর্ণ |
| অন্নপুষ্ট | খাদ্যপুষ্ট | অনিল | বাতাস | অনুবাত | বায়ুর অনুকূল | অশন | ভোজন |
| অন্যপুষ্ট | কোকিল | অনীল | যা নীল নয় | অনুবাদ | ভাষান্তর | অসন | ত্যাগকরণ |
| অবদান | মহৎ কার্য | অরতি | বিরক্তি | অলিক | কপাল | অশীলতা | অভদ্রতা |
| অবধান | মনোনিবেশ | অরাতি | শত্রু | অলীক | মিথ্যা | অসিলতা | তরবারি |
| অকিঞ্চন | নিঃস্ব | অকুল | নীচ বংশ | অন্যান্য | অপরাপর | অপচয় | ক্ষতি |
| আকিঞ্চন | আকাঙ্ক্ষা | অকূল | তীরহীন | অনন্য | একক | অবচয় | চয়ন |
| অপত্য | সন্তান | অবগত | জানা | অবিনীত | উদ্ধত | অভিহিত | কথিত |
| অপথ্য | যা পথ্য নয় | অপগত | দূরীভূত | অভিনীত | অভিনয় করা | আভাস | ইঙ্গিত |
| অশক্ত | অক্ষম | আঁশ | তন্তু | আদা | মসলাবিশেষ | আবাস | বাসস্থান |
| অসক্ত | নির্লিপ্ত | আঁষ | আমিষ | আধা | অর্ধেক | আবির | রং |
| আহুতি | যজ্ঞের আগুনের যি | আধি | দুশ্চিন্তা | আশি | ৮০ সংখ্যা | আভীর | গোয়ালা |
| আহূতি | আহবান | আঁধি | ঝড়ো হাওয়া | আশী | সাপের দাঁত | আবরণ | আচ্ছাদন |
| আষাঢ় | মাসের নাম | আপন | নিজ | আসক্তি | অনুরাগ | আভরণ | অলংকার |
| আসার | প্রবল বর্ষণ | আপণ | দোকান | আসত্তি | নৈকট্য | ঈশ | ঈশ্বর, প্রভু |
| আশা | আকাঙ্ক্ষা | আবৃতি | আবরণ | ইস্ত্রি | ধোপার যন্ত্র | ঈষ | লাঙলের দণ্ড |
| আসা | আগমন | আবৃত্তি | কবিতাপাঠ | স্ত্রী | পত্নী | ঋতি | পথ, গতি |
| উৎপত | পাখি | উপাদান | উপকরণ | উদ্যত | প্রবৃত্ত | রীতি | প্রথা |
| উৎপথ | কুপথ | উপাধান | বালিশ | উদ্ধত | ধৃষ্ট/অবিনীত | অবিহিত | অন্যায় |
| এণ | হরিণ | ওষধি | একফলা গাছ | ওষ্ঠ | ওপরের ঠোঁট | কৃতি | কর্ম |
| এন | দোষ | ঔষধি | ভেষজ উদ্ভিদ | ওষ্ঠ্য | ঠোঁট সম্পর্কিত | কৃতী | কীর্তিমান |
| কটি | কোমর | কড়া | আংটা | কতক | কিছু | কপাল | ললাট |
| কোটি | শত লক্ষ | করা | কৃত | কথক | বক্তা | কপোল | গাল |
| করী | হাতি | কাঁচা | অপক্ব | কাঁচি | কাস্তে | কাঁটা | কণ্টক |
| কড়ি | অর্থ | কাচা | ধোয়া | কাছি | মোটা দড়ি | কাটা | কর্তন |
| কাক | পাখিবিশেষ | কাঁদা | ক্রন্দন | কি | ক্রিয়াবিশেষণ | কিল | মুষ্টির আঘাত |
| কাঁখ | কাঁখাল | কাদা | পাঁক | কী | বিশেষণ/সর্বনাম | কীল | খিল |
| কুজন | খারাপ লোক | কৃতি | কাজ | ক্রোড় | কোল | কীর্তিবাস | যশস্বী |
| কূজন | খারাপ লোক | কৃতী | কর্মকুশল | ক্রোর | কোটি | কৃত্তিবাস | শিব, মহাদেব |
| কুল | বংশ | কুঁড়ি | মুকুল | কন্দল | অঙ্কুর | কমল | পদ্ম |
| কূল | নদীর তীর | কুড়ি | বিশ (সংখ্যা) | কন্দাল | মিষ্টি আলু | কোমল | নরম |
| কবরী | খোঁপা | কপোত | পায়রা | কৃত | যা করা হয়েছে | জোর | শক্তি |
| করবী | ফুল বিশেষ | খপোত | আকাশযান | ক্রীত | ক্রয় করা হয়েছে | কুট | দুর্গ, পর্বত |
| কাদম্বরী | দেবী সরস্বতী | কু | পৃথিবী | কীর্তি | যশ | কূট | জটিল, বক্র |
| কাদম্বিনী | মেঘমালা | ক্যু | সামরিক অভুত্থান | কৃত্তি | বাঘের চামড়া | খড় | তৃণ |
| খরা | রৌদ্র | খুর | পশুর পায়ের অংশ | খদ্দর | কাপড় বিশেষ | খর | তীব্র |
| ক্ষরা | ক্ষরণ | ক্ষুর | কামানোর অস্ত্র | খদ্দের | ক্রেতা | গণ্ডি | চৌহদ্দি |
| গর্ব | অহংকার | গা | শরীর | গাথা | কাহিনী | গণ্ডী | ধনুক |
| গর্ভ | পেট | গাঁ | গ্রাম | গাঁথা | গ্রন্থন | গাধা | গর্দভ |
| গোড়া | মূল অংশ | গড়া | তৈরি করা | গড় | তৈরি করা | গাঁদা | ফুলবিশেষ |
| গোঁড়া | রক্ষণশীল | ঘড়া | বড় কলসি | ঘর | বাসগৃহ | ঘোড়া | অশ্ব |
| চড় | চপেটাঘাত | চারা | ছোট গাছ | চুর | নেশাগ্রস্ত | ঘোড়া | ঘূর্ণন |
| চর | ভূমিবিশেষ | চাড়া | জেগে ওঠা | চূর | চূর্ণ | চির | চিরকাল |
| চূত | আম | ছাঁদ | আকৃতি | ছাড় | ত্যাগ | চীর | ছিন্নবস্ত্র |
| চ্যূত | ভ্রষ্ট / স্খলিত | ছাদ | চাল | ছার | অধম | ছোঁড়া | বালক |
| জড় | অচেতন | জমক | সমারোহ | জলা | জলাশয় | ছোরা | ছুরি |
| জ্বর | রোগবিশেষ | যমক | জোড়া | জ্বলা | পোড়া | জাম | ফলবিশেষ |
| জাল | ফাঁদ | জালা | মাটির বড় পাত্র | জিভ | জিহ্বা | যাম | প্রহর |
| জ্বাল | অগ্নিশিখা | জ্বালা | যন্ত্রণা | জীব | প্রাণী | জোড় | জোড়া |
| জ্যেষ্ঠ | বড় | জ্যোতি | আলো | ঝানু | পাকা | ঝুড়ি | চাঙাড়ি |
| জ্যৈষ্ঠ | বাংলা ২য় মাস | যতি | বিরাম | জানু | হাঁটু | ঝুরি | বটের শিকড় |
| টিকা | রোগ প্রতিরোধক | ঠোকা | মৃদু আঘাত | ডাকা | আহ্বান করা | ডাল | শাখা |
| টীকা | ব্যাখ্যা | ঠকা | প্রতারিত হওয়া | ঢাকা | আবৃত | ঢাল | বর্ম |
| ডোল | ধান রাখার পাত্র | ঢাক | বাদ্যযন্ত্র | তত্ত্ব | মূলকথা | ত্বরিত | দ্রুত |
| ঢোল | বাদ্যযন্ত্র | ডাক | যোগাযোগ ব্যবস্থা | তথ্য | সঠিক সংবাদ | তড়িৎ | বিদ্যুৎ |
| তরণী | নৌকা | তারা | নক্ষত্র | তোড়া | গুচ্ছ | তপসি | ছোট মাছ |
| তরুণী | যুবতী | তাড়া | তাড়না | তোরা | তোমরা | তপস্বী | সাধু |
| তির | বাণ, শর | দন্ত | দাঁত | দার | স্ত্রী | দারা | স্ত্রী |
| তীর | কূল, পাড় | দন্ত্য | দাঁতবিষয়ক | দ্বার | দরজা | দ্বারা | দিয়ে |
| দিন | দিবা | দীপ | প্রদীপ | দূতী | নারী সংবাদবাহক | দৃপ্ত | বলিষ্ঠ |
| দীন | দরিদ্র | দ্বীপ | জলবেষ্টিত স্থান | দ্যুতি | আলো | দীপ্ত | উজ্জ্বল |
| দেশ | রাজ্য | ধাপ | সিঁড়ির সোপান | ধরা | পৃথিবী | ধাতৃ | বিধাতা |
| দ্বেষ | হিংসা | দাপ | দাপট | ধড়া | কটিবাস | ধাত্রী | দাই |
| ধুম | প্রাচুর্য | ধোয়া | ধৌত | ধনি | সুন্দরী স্ত্রী | ধারি | সরু বারান্দা |
| ধূম | ধোঁয়া | ধোঁয়া | ধুম্র | ধনী | ধনবান | ধারী | ধারালো |
| নিরাশ | হতাশ | নিরস্ত্র | অস্ত্রহীন | নভ | আকাশ | নীর | পানি |
| নিরাস | দূরীকরণ | নিরস্ত | ক্ষান্ত | নব | নতুন | নীড় | পাখির বাসা |
| নারী | স্ত্রীলোক | নিতি | রোজ | নন্দি | আনন্দ | নাড়ী | শিরা |
| নাড়ি | শিরা | নীতি | নিয়ম | নন্দী | বটগাছ | নারি | পারি না |
| নিত্য | প্রতিদিন | নিবৃত | আবৃত | নিদান | শেষ | নীড় | পাখির বাসা |
| নৃত্য | নাচ | নিভৃত | গোপন | নিধান | আধার | নীর | পানি |
| নিবার | নিষেধ | নিশিত | ধারালো | পক্ষ | পাখা | পটল | অধ্যায় |
| নীবার | ধান বিশেষ | নিশীথ | মধ্যরাত্রি | পক্ষ্ম | চোখের পাতার লোম | পটোল | সবজিবিশেষ |
| পটাশ | রাসায়নিকবিশেষ | পদ্য | কবিতা | পরা | পরিধান করা | পরভৃত | কোকিল |
| পটাস | ধ্বন্যাত্মক শব্দ | পদ্ম | কমল | পড়া | পাঠ | পরভৃৎ | কাক |
| পাণি | হাত | প্রভাতি | প্রভাতের গান | প্রসাদ | অনুগ্রহ | পারি | সমর্থ/সক্ষম |
| পানি | জল | প্রভাতী | প্রভাতকালীন | প্রাসাদ | অট্টালিকা | পাড়ি | পারাপার |
| পরিষদ | সভা | পাট | উদ্ভিদবিশেষ | পার | তীর | পারা | পারদ |
| পারিষদ | সভাষদ | পাঠ | পড়া | পাড় | প্রান্ত | পাড়া | মহল্লা |
| পরিচর্চা | আলোচনা | পরিচ্ছদ | পোশাক | পূর্বাহ্ন | পূর্বদিন | প্রবুদ্ধ | জাগরিত |
| পরিচর্যা | সেবা | পরিচ্ছেদ | অংশ, অধ্যায় | পূর্বাহ্ণ | দিনের পূর্বভাগ | প্রবৃদ্ধ | অতিশয় বৃদ্ধ |
| পিঠ | পৃষ্ঠ | পিন | আলপিন | পুত | পবিত্র | পুরি | লুচি |
| পীঠ | স্থান | পীন | স্থূল | পূত | পবিত্র | পুরী | নিকেতন |
| পুরুষ | নর | পূর্বাভাষ | মুখবন্ধ | প্রকার | রকম | প্রকৃত | যথার্থ |
| পরুষ | কঠোর | পূর্বাভাস | পূর্বসংকেত | প্রাকার | দেয়াল | প্রাকৃত | স্বাভাবিক |
| ফোঁটা | বিন্দু | ফিক | মৃদু হাসি | বলি | উপহার | বাণ | শর, তির |
| ফোটা | প্রস্ফুটিত | ফীক | কোকিল | বলী | বলবান | বান | বন্যা |
| বর্ষা | ঋতু | বা | অথবা | বাক | কথা | বাণী | কথা |
| বর্শা | অস্ত্রবিশেষ | বাঁ | বাম | বাঁক | বাঁকা | বানি | গয়না তৈরির মজুরি |
| বাইশ | ২২ সংখ্যা | বেদ | গ্রন্থ বিশেষ | বিষ | হলাহল/গরল | বিবৃতি | বিস্তৃতি |
| বাইস | ধারালো যন্ত্র | বেধ | বিবর্তন | বিস | মৃণাল | বিত্তি | জীবিকা |
| বাধা | বিঘ্ন | বাড়ি | ঘর | বাদি | ফরিয়াদি | বাসি | টাটকা নয় |
| বাঁধা | বন্ধন | বারি | পানি | বাদী | মতাদর্শী | বাসী | বসবাসকারী |
| বিচি | বীজ | বিত্ত | ধন | বিনা | ব্যতীত | বিস্মিত | চমৎকৃত |
| বীচি | ঢেউ | বৃত্ত | গোলাকার | বীণা | বাদ্যযন্ত্র বিশেষ | বিস্মৃত | ভুলে যাওয়া |
| বৃন্ত | বোঁটা | বেশি | অনেক | বোঁজা | বন্ধ | ভূ | পৃথিবী |
| বৃন্দ | সমূহ | বেশী | বেশধারী | বোঝা | ভার | ভূধর | পর্বত |
| ভজন | প্রার্থনা | ভাষ | কথা | ভাসন | উজ্জ্বলতা | ভুঞ্জন | ভোগ করা |
| ভোজন | আহার | ভাস | দীপ্তি | ভাষণ | উক্তি | ভঞ্জন | ভোগ করা |
| মতি | বুদ্ধি | মরা | মৃত | মন | অন্তঃকরণ | শম | শান্তি |
| মোতি | মুক্তা | মড়া | মৃতদেহ | মণ | অন্তঃকরণ | সম | তুল্য |
| মাস | ৩০ দিন | মুখপত্র | ভূমিকা | মূর্খ | জ্ঞানহীন | মোড়ক | আচ্ছাদনী |
| মাষ | ডালবিশেষ | মূখপাত্র | প্রতিনিধি | মুখ্য | প্রধান | মড়ক | মহামারী |
| মুখ | বদন | যজ্ঞ | উৎসব | যুগ | কাল | রতি | পরিমাণ |
| মূক | বোবা | যোগ্য | উপযুক্ত | যোগ | মিলন | রথী | রথের আরোহী |
| রুক্স | স্বর্ণ | লণ্ঠন | বাতি | লেশ | সামান্য | লক্ষ | শত সহস্র |
| রুক্ষ | কর্কশ | লুণ্ঠন | লুটতরাজ | লেস | ফিতা | লক্ষ্য | উদ্দেশ্য |
| শক | জাতিবিশেষ | শুক | টিয়াপাখি | শিকড় | মূল | শর | তির |
| শখ | সাধ | শূক | শস্যের সূক্ষ্ম রোঁয়া | শীকর | জলকণা | সর | দুধের উপরিভাগ |
| শমন | যম | শব | মৃতদেহ | শিখণ্ডিক | মোরগ | শুক্তি | শ্রবণ |
| সমন | আদালতের ডাক | সব | সমস্ত | শিখণ্ডী | ময়ূর | সূক্তি | সৎকথা |
| শকল | মাছের আঁশ | শয্যা | বিছানা | শশা | ফল | শারদা | দুর্গা |
| সকল | সমস্ত | সজ্জা | সাজ | স্বসা | বোন | সারদা | সরস্বতী |
| শূর | বীর | শান্ত | ধীর | শবল | নানাবর্ণ যুক্ত | শমীর | বৃক্ষবিশেষ |
| সূর | সূর্য | সান্ত | সসীম | সবল | বলবান | সমীর | বাতাস |
| শুচি | পবিত্র | শপ্ত | অভিশপ্ত | শরণ | আশ্রয় | শঠ | প্রবঞ্চক |
| সূচি | ছুঁচ/তালিকা | সপ্ত | সাত | স্মরণ | স্মৃতি | ষট্ | ছয় |
| শশা | ফলবিশেষ | শাদী | বিয়ে | সর্গ | কাব্যের অধ্যায় | শম্বর | হরিণ |
| স্বসা | বোন | শাপ | অভিশাপ | স্বর্গ | সুরলোক | সম্বর | সংবরণ |
| সান্ত | সসীম | সাপ | সর্প | শারি | স্ত্রী শালিক | শিকার | মৃগয়া |
| শিল | পাথর | শীষ | ধানের মঞ্জরি | সারি | পঙ্ক্তি | স্বীকার | অঙ্গীকার |
| শীল | চরিত্র | শিস | ধ্বনিবিশেষ | শোনা | শ্রবণ করা | শ্রবণ | কান |
| শ্বশ্রূ | শাশুড়ি | সর্গ | অধ্যায় | সোনা | স্বর্ণ | স্রবণ | ক্ষরণ |
| শ্মশ্রু | দাড়ি | স্বাদ | আস্বাদ | সমর্থ | বলবান | সম্প্রতি | আজকাল |
| সাক্ষর | অক্ষর সম্বলিত | সাধ | ইচ্ছা | সামর্থ | যোগ্যতা | সম্প্রীতি | সম্ভাব |
| স্বাক্ষর | দস্তখত | সামি | অর্ধেক | সন | বছর | সত্ত্ব | গুণবিশেষ |
| সাধু | সৎ | স্বামী | প্রভু | স্বন | শব্দ | স্বত্ব | অধিকার |
| স্বাদু | স্বাদযুক্ত | হর্ম্য | দালান | স্তম্ব | কাণ্ডশূন্য বৃক্ষ | হাড় | অস্থি |
| হ্রদ | জলাশয় | হর্ম | হাই তোলা | স্তম্ভ | খুঁটি | হার | গলার মালা |
| হৃদ | মন |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ভাষা হচ্ছে বহমান নদীর মতো, যা নিরন্তর বয়ে চলেছে নানা যৌক্তিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে। তাই বাংলা ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগ তথা অপপ্রয়োগ থেকে মুক্ত থাকার জন্য দরকার ভাষার উপর পরিপূর্ণ জ্ঞান। ইংরেজ সময়কালের বা পাকিস্তানি শাসনামলের মুদ্রা যেমন একালে অচল, তেমনি ইংরেজ-পাকিস্তানি আমল তো বটেই, এমন কি আশি বা নব্বই দশকের কিছু কিছু বানানও আজকাল পরিত্যক্ত হয়েছে।
বাংলা পৃথিবীর একটি মর্যাদাসম্পন্ন ভাষা। ২১ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়: অথচ খোদ বাংলাদেশেই সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন যেমন হয়নি, মর্যাদাও তেমন দেওয়া হয় না। সবচেয়ে বিশৃঙ্খলা দেখা যায় বানান ও উচ্চারণে, যা রীতিমতো পীড়াদায়ক। সাহিত্যকর্মের বাইরে পোস্টারে, বিজ্ঞাপনে, সাইনবোর্ডে, সংবাদপত্রের পাতায়, বেতার-টেলিভিশনে এই ভুলের ছড়াছড়ি। বাংলা ভাষায় ভুলের সীমাহীন যে নৈরাজ্য চলছে, তাতে কেবল ভাষার প্রতি অবহেলাই প্রকাশ পায় না, ভাষার নিয়ম-শৃঙ্খলা সম্পর্কে বিপুল অজ্ঞতাও প্রকট হয়ে দেখা দেয়।
ভাষাজ্ঞান এবং বানান পরিবর্তনের চলমান ধারার সাথে সংলগ্ন থাকতে পারলে, ভাষার শুদ্ধ প্রয়োগ ঘটানো সম্ভবপর হবে। উদাহরণের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট করা হলোঃ
ঈদ, নবী, পরী, পীর, পূর্ব, বীমা, রানী, লীগ, শহীদ শব্দগুলোর বানান কিন্তু অশুদ্ধ। শুদ্ধ বানানগুলো অশুদ্ধ মনে হওয়ার কারণ হচ্ছে এ বানানগুলো বিভিন্ন সরলীকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সংস্কার করে গৃহীত হয়েছে। পুরনো বানানগুলো যেহেতু দীর্ঘদিন প্রচলিত ছিল, তাই সেগুলো এখনো চোখকে বিভ্রান্ত করতে চায়। এ নিয়ে যে দ্বিধা, তা দূর হতে পারে শুধু একটি নিয়ম জানা থাকলে। এ শব্দগুলোর শুদ্ধরূপের নিয়মটি হলো:
- যে শব্দটি তৎসম নয় অর্থাৎ সংস্কৃত নয়, সে শব্দটির বানানে কোথাও ঈ-কার, উ-কার দেওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে সর্বদাই ই- কার, উ- কার বসবে। যেমন- ইদ, নবি, পরি, পির, পুব, বিমা, রানি, লিগ, শহিদ ইত্যাদি। এখানে ই-কার, উ-কার বসার কারণ হলো যে, এ শব্দগুলোর কোনোটিই সংস্কৃত নয়। পূর্বে এ বানানগুলোতে ঈ-কার, উ-কার বসতো, বর্তমানে বানান পরিমার্জন করে সরল করা হয়েছে।
নিচে প্রয়োগ-অপপ্রয়োগের বিস্তারিত বর্ণনা উদাহরণসহ আলোচনা করা হলো:
১. ই-কার / ঈ- কার এর প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ: ১৯৮৮ সালে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলা বানানের নিয়মের একটি খসড়া প্রস্তুত করে এবং ১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন করে। উভয় নিয়মেই যাবতীয় অতৎসম (অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি) শব্দে কেবল হ্রস্বধ্বনি (ই, ই- কার, উ. উ- কার) ব্যবহারের সুপারিশ করেছে। নিম্নে এর কিছু ব্যবহার তুলে ধরা হলো :
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| ঈদ | ইদ | এজেন্সী | এজেন্সি |
| একাডেমী | একাডেমি | কাজী | কাজি |
| কলোনী | কলোনি | কোরবানী | কোরবানি |
| কেরানী | কেরানি | কোম্পানী | কোম্পানি |
| গ্যালারী | গ্যালারি | গরীব | গরিব |
| গীটার | গিটার | চাকরী | চাকরি |
| জরুরী | জরুরি | জানুয়ারী | জানুয়ারি |
| টিউশনী | টিউশনি | ডায়েরী | ডায়েরি |
| ডিগ্রী | ডিগ্রি | তসবী | তসবি |
| দরদী | দরদি | নবী | নবি |
| নানী | নানি | নেভী | নেভি |
| নার্সারী | নার্সারি | বীমা | বিমা |
| ভাবী | ভাবি | মামী | মামি |
| রেফারী | রেফারি | লীগ | লিগ |
| লটারী | লটারি | লাইব্রেরী | লাইব্রেরি |
| শাশুড়ী | শাশুড়ি | ল্যাবরেটরী | ল্যাবরেটরি |
| শহীদ | শহিদ | সতীন | সতিন |
| সরকারী | সরকারি | সীলমোহর | সিলমোহর |
| সেক্রেটারী | সেক্রেটারি | হাজী | হাজি |
ই-কার যুক্ত শব্দ:
| অগ্নিবীণা | অধিকারিণী | টিপ্পনী | তপস্বিনী |
| প্রাণিবিদ্যা | প্রতিদ্বন্দ্বিতা | প্রণয়িনী | প্রতিযোগিতা |
| প্রাণিবাচক | পুনর্মিলনী | ভবিষ্যদ্বাণী | মন্ত্রিপরিষদ |
| শিঞ্জিনী | সহযোগিতা | সহপাঠিনী | স্থায়িত্ব |
ঈ-কার যুক্ত শব্দ:
| অঙ্গীকার | অন্তরীণ | অলীক | অধীন |
| আভীর | আশীর্বাদ | ঈপ্সা | ঈপ্সিত |
| ঈর্ষা | ঈষৎ | উড্ডীন | উদীচী |
| উড়িয়া/উড়ীয়া | উন্মীলন | একান্নবর্তী | কালীন |
| কৃষিজীবী | কীর্তি | কীর্তন | কিরীট |
| ক্ষীণজীবী | ক্ষুৎপীড়িত | গরীয়সী | গীতিকা |
| গরীয়ান | গীতাঞ্জলি | গীষ্পতি | গ্রীষ্ম |
| চীন | চীর | টীকা | তীক্ষ্ণ |
| তরণী | তীব্র | দিলীপ | দীপ্ত |
| দধীচি | দ্বিতীয় | দ্বীপ (দ্বিপ-হস্তী) | নিপীড়িত |
| নিমীলিত | নিরীহ | নিশীথিনী | নীচ |
| নিবীত | নীরব | নীরন্ধ্র | পীড়া |
| পরীক্ষা | প্রতীক | প্রতীচ্য | পীযুষ |
| পিপীলিকা | প্রতীক্ষা | প্রতীতি | প্রতীয়মান |
| প্রীত | প্রবীণ | বল্মীক | বাণী |
| বিপরীত | বীথি | বীভৎস | ব্রীহি |
| বীচি | বিবাদী | বীর | বেণী |
| ব্যতীত | ভীত | ভীম | ভাগীরথী |
| ভীষণ | মরীচিকা | শীকর | শীতাতপ |
| শরীর | শ্রীপদ | শীঘ্র | শীর্ণ |
| শারীরিক | সুশ্রী | সম্মুখীন | সমীপ |
| সমীচীন | সরীসৃপ | সমীহ | সীমন্ত |
২.অপপ্রয়োগের কারণ যখন বিশেষণ দ্বিত্ব: বিশেষণ জাতীয় পদের সঙ্গে যদি পুনরায় বিশেষণবাচক উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করা হয়, তাহলে যেসব শব্দ গঠিত হয় তা ব্যাকরণ সম্মত নয়। তথাকথিত এই দূষিত শব্দগুলো অপপ্রয়োগের ফলে সৃষ্ট। যেমন-
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| সকাতর | কাতর | সবিনয়পূর্বক | বিনয়পূর্বক |
| সকৃতজ্ঞ | কৃতজ্ঞ | সানন্দিত | সানন্দ |
| সলজ্জিত | লজ্জিত/সলজ্জ | সচেষ্টিত | চেষ্টিত/সচেষ্ট |
| সচিত্রিত | চিত্রিত/ সচিত্র | সশঙ্কিত | শঙ্কিত/সশঙ্ক |
৩. অপপ্রয়োগের কারণ যখন বিশেষ্য / দ্বিত্ব: কোনো বিশেষ্য পদের সাথে আবার/-তা/ অথবা -ত্ব / প্রত্যয় যুক্ত করা হলে, যে শব্দটি গঠিত হয় তা ভুল শব্দ। এ জাতীয় শব্দের প্রয়োগ ব্যাকরণসম্মত নয় বলে এগুলো অপপ্রয়োগ। যেমন-
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| অপকর্ষতা | অপকর্ষ | অপ্রতুলতা | অপ্রতুল |
| আব্রুতা | আব্রু | প্রসারতা | প্রসার |
| মৌনতা | মৌন | উৎকর্ষতা | উৎকর্ষ/উৎকৃষ্টতা |
৪. বিশেষণের সাথে দুইবার প্রত্যয় যোগ করার কারণে অপপ্রয়োগ: সাধারণত বিশেষণ পদের শেষে /-য/ অথবা /-তা/ প্রত্যয় যোগ করা হলে, বিশেষণ পদটি বিশেষ্য পদে রূপান্তরিত হয়; পুনরায় ওই বিশেষ পদের সাথে যদি আবার প্রত্যয় যোগ করা হয়, তাহলে অপপ্রয়োগ ঘটে। যেমন: 'দরিদ্র' একটি বিশেষণ পদ। 'দরিদ্র' শব্দের সঙ্গে /-য/প্রত্যয় যোগ করলে গঠিত হয় (দরিদ্র + য) দারিদ্র্য। 'দারিদ্র্য' একটি বিশেষ্য পদ। এবার 'দারিদ্র্য'র সাথে যদি /-তা/ যোগ করা হয়, তাহলে গঠিত হয় (দারিদ্র্য+তা) দারিদ্র্যতা। 'দারিদ্র্যতা' গঠনে একই সঙ্গে /-য/ এবং /-তা/প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণে এটি অশুদ্ধ শব্দ। অপপ্রয়োগ ঘটেছে, এমন কিছু তথাকথিত শব্দের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
যেমন-
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| আতিশয্যতা | আতিশয্য | ঐক্যতা | ঐক্য/একতা |
| কার্পণ্যতা | কার্পণ্য | গাম্ভীর্যতা | গাম্ভীর্য |
| চাঞ্জল্যতা | চাঞ্জল্য | চাতুর্যতা | চাতুর্য/চতুরতা |
| চাপল্যতা | চাপল্য | দারিদ্র্যতা | দারিদ্র্য/দরিদ্রতা |
| বাহুল্যতা | বাহুল্য | দৈন্যতা | দৈন্য/ দীনতা |
| ভারসাম্যতা | ভারসাম্য | সখ্যতা | সখ্য |
| সৌজন্যতা | সৌজন্য | সৌহার্দ্যতা | সৌহার্দ্য |
৫. সমার্থক শব্দের বাহুল্যজনিত কারণে অপপ্রয়োগ: কখনও কখনও বাংলায় কোনো কোনো শব্দে সমার্থবোধক একাধিক শব্দের প্রয়োগ লক্ষ করা যায়। এ ধরনের প্রয়োগের ফলে শব্দ ব্যাকরণগতভাবে দূষিত হয়ে পড়ে। সমার্থক শব্দের বাহুল্যজনিত কারণে সৃষ্ট অপপ্রয়োগের উদাহরণ হলো-
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| অশ্রুজল | অশ্রু | আরক্তিম | আরক্ত/রক্তিম |
| আয়ত্তাধীন | আয়ত্ত/অধীন | শুধুমাত্র | শুধু / মাত্র |
| কদাপিও | কদাপি | কেবলমাত্র | কেবল / মাত্র |
| সমূলসহ | সমূল / মূলসহ | বিবিধপ্রকার | বিবিধ |
| সময়কাল | সময় / কাল | সুস্বাগত | স্বাগত |
৬. সন্ধিজাত শব্দে বানান ভুলের জন্য অপপ্রয়োগ: সন্ধিজাতশব্দে পাশাপাশি দুই বা তার চেয়ে বেশি ধ্বনি মিলিত হয়ে একটি ধ্বনিতে পরিণত হয়, কিন্তু এক্ষেত্রে ধ্বনিটি কী হবে, তা সন্ধির সূত্র অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। এক্ষেত্রে কোনো রকম স্বাধীনতা গ্রহণ করা চলে না। আমরা অনেকেই সন্ধিজাত শব্দের বানান লেখার সময় বানানে স্বেচ্ছাচার করে থাকি, যার ফলে শব্দে অপপ্রয়োগ ঘটে থাকে। যেমন-
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| অদ্যবধি | অদ্যাবধি | উপরোক্ত | উপর্যুক্ত |
| তরুছায়া | তরুচ্ছায়া | দুরাবস্থ | দুরবস্থা |
| দুরাদৃষ্ট | দুরদৃষ্ট | প্রাত:রাশ | প্রাতরাশ |
| বক্ষোপরি | বক্ষ-উপরি | বিপদোদ্ধার | বিপদুদ্ধার |
| মুখছবি | মুখচ্ছবি |
৭. সমাসঘটিত শব্দে অপপ্রয়োগ: ব্যাসবাক্য থেকে সমস্তপদ যখন গঠিত হয়, তা সমাসের নিয়ম অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন রূপ লাভ করে। শব্দ গঠন অনুযায়ী ব্যাসবাক্য থেকে কখনও কখনও তা ভিন্নরূপ লাভ করে। যেমন: মহান যে মানব = 'মহানমানব' নয়- 'মহামানব'; জায়া ও পতি = ‘জায়াপতি’ নয়- 'দম্পতি'।
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| অহোরাত্রি | অহোরাত্র | অহর্নিশি | অহর্নিশ |
| দিবারাত্রি | দিবারাত্র | নীরোগী | নীরোগ |
| নিজ্ঞানী | নির্জ্ঞান | নির্বিরোধী | নির্বিরোধ |
| নিরভিমানী | নিরভিমানী | নিরপরাধী | নিরপরাধ |
| নির্দোষী | নির্দোষ | দিনরাত্র | দিনরাত্রি/দিবারাত্র |
| মধ্যরাত্রি | মধ্যরাত্র | সুবুদ্ধিমান | সুবুদ্ধি |
৮. প্রত্যয়ঘটিত অপপ্রয়োগ: প্রকৃতির সাথে প্রত্যয়যুক্ত হয়ে যখন শব্দ গঠিত হয়, তখন সংগত কারণেই তার বানানে কিছুটা বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। সচেতন না থাকলে এসব ক্ষেত্রে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| অধীনস্থ | অধীন | অসহ্যনীয় | অসহনীয়/অসহ্য |
| আবশ্যকীয় | আবশ্যক | একত্রিত | একত্র |
| চোষ্য | চূষ্য | লব্ধপ্রতিষ্ঠিত | লব্ধপ্রতিষ্ঠ |
| সাধ্যাতীত | অসাধ্য | সত্বা | সত্তা |
| স্বত্ত্ব | স্বত্ব | সম্ভ্রান্তশালী | সম্ভ্রমশালী/সম্ভ্রান্ত |
| সিঞ্চন | সেচন | সিঞ্চিত | সিক্ত |
৯. উৎকর্ষবাচক- তর, তম প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ: উৎকর্ষবাচক শব্দ ব্যবহারে, আমরা কী রকম অজ্ঞানতার মধ্যে ডুবে আছি যেটি খুব অল্প কথায় ড. মাহবুবুল হক বিশ্লেষণ করেছেন। আমরা সরাসরি তাঁর বই থেকে একটি অংশ তুলে ধরছি: 'বাংলায় উৎকর্ষের সর্বাধিক্য বোঝাতে গুণবাচক শব্দের সঙ্গে /-ইষ্ঠ/ প্রত্যয় যুক্ত হয়। যেমন: কনিষ্ঠ, গরিষ্ঠ, জ্যেষ্ঠ, পাপিষ্ঠ্য, বলিষ্ঠ, লঘিষ্ঠ, শ্রেষ্ঠ ইত্যাদি। এসব শব্দের সঙ্গে ভুলবশত অনেকে দুইয়ের মধ্যে একের উৎকর্ষবাচক/-তর/এবং বহুর মধ্যে একের উৎকর্ষবাচক/-তম/ প্রত্যয় যুক্ত করে থাকেন। যেমন: কনিষ্ঠর/ কনিষ্ঠতম, বলিষ্ঠতম/ বলিষ্ঠতম, শ্রেষ্ঠতম ইত্যাদি। এরকম প্রয়োগ অশুদ্ধ।
১০. বহুল প্রচলিত বানানের প্রভাবে অপপ্রয়োগ: বাংলা বানানে বহুলপ্রচলিত শব্দগুলি তুলনামূলক কম প্রচলিত শব্দের বানানের ওপর প্রবল প্রভাব ফেলে। ফলে অপপ্রয়োগ দেখা যায়। কিছু উদাহরণ দেয়া হলো: 'ভূগোল' বানানে উ-কার আছে কিন্তু এর প্রভাবে 'ভূবন' বানানে উ-কার দেওয়া হলো, যা অপপ্রয়োগ। 'স্বাধীনতা' বানানের প্রভাবে যদি লেখা হয় 'স্বাধীকার' তাহলে অপপ্রয়োগ হবে। শুদ্ধ শব্দটি হচ্ছে সাধীকার। এরূপ 'বিবাদ' শুদ্ধ, কিন্তু 'বিবাদমান' শুদ্ধ নয়, শুদ্ধ প্রয়োগ করতে হলে ব্যবহার করতে হবে 'বিবদমান'।
১১. সমাসঘটিত শব্দের বানানে অশুদ্ধি: 'সমাস' (সম্- √অস্ +অ) শব্দের অর্থই হচ্ছে সংক্ষেপণ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন, “পরস্পর অর্থ-সঙ্গতিবিশিষ্ট দুই বা বহু পদকে লইয়া একপদ করার নাম সমাস।”
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেন, “একাধিক শব্দ একত্র জুড়িয়া একটি বৃহৎ শব্দ সৃষ্টি করাকে সমাস বলে।”
বাংলা একাডেমি প্রণীত ও প্রকাশিত "প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ" গ্রন্থে সমাসের সংজ্ঞার্থ নিরূপিত হয়েছে এভাবে: "সমাস অভিধানের শব্দ নির্মাণের একটি প্রক্রিয়া যাতে দুই বা তার চেয়ে বেশি শব্দ যুক্ত হয়ে একটি অখণ্ড শব্দ তৈরি করে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে একটি সম্মিলিত ধারণা প্রকাশ করে।" সমাসবদ্ধ শব্দ তাই একত্রে লিখতে হয়- নতুবা অপপ্রয়োগ হবে। কিছু উদাহরণ হলো:
অশুদ্ধ | শুদ্ধ | অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| আপন জন | আপনজন | ক্রয় ক্ষমতা | ক্রয়ক্ষমতা |
| জীবন ধারা | জীবনধারা | দৃঢ় প্রতিজ্ঞ | দৃঢ়প্রতিজ্ঞ |
| দৃষ্টি প্রতিবন্ধী | দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী | ধর্ম ব্যবসায়ী | ধর্ম ব্যবসায়ী |
| বিপথ গামী | বিপথগামী | প্রচার মাধ্যম | প্রচার মাধ্যম |
| পূর্ব প্রস্তুতি | পূর্বপ্রস্তুতি | প্রবাস জীবন | প্রবাসজীবন |
| বাস্তব সম্মত | বাস্তবসম্মত | যুক্ত বিবৃতি | যুক্তবিবৃতি |
| যুদ্ধ বিধ্বস্ত | যুদ্ধবিধ্বস্ত | মৎস্য সম্পদ | মৎস্যসম্পদ |
অশুদ্ধ | শুদ্ধ |
| অকাল প্রায়াত | অকালপ্রায়াত |
| অনন্য সাধারণ | অনন্যসাধারণ |
| অনুমান নির্ভর | অনুমাননির্ভর |
| জমিদার বাড়ি | জমিদারবাড়ি |
| জীবন সংগ্রাম | জীবনসংগ্রাম |
| জীবন সঙ্গিনী | জীবনসংগ্রাম |
| দল নিরপেক্ষে | দলনিরপেক্ষে |
| নীতি নির্ধারক | নীতিনির্ধারক |
| পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া | পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া |
| বেকার সমস্যা | বেকারসমস্যা |
| ব্যক্তি মালিকানা | ব্যক্তিমালিকানা |
| ভাব বিনিময় | ভাববিনিময় |
| শোক সংবাদ | শোকসংবাদ |
| শিক্ষা ব্যবস্থা | শিক্ষাব্যবস্থা |
| সমাজ সেবা | সমাজসেবা |
| সমুদ্র সৈকত | সমুদ্রসৈকত |
| সর্বজন শ্রদ্ধেয় | সর্বজনশ্রদ্ধেয় |
| সাহায্য সংস্থা | সাহায্যসংস্থা |
১২. অর্থগত অপপ্রয়োগ: (সমোচ্চারিত ও প্রায়-সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দের অর্থপার্থক্যজনিত অপপ্রয়োগ)
প্রতিটি ভাষার শব্দ ভাণ্ডারে থাকে অজগ্র শব্দ, তবু থেকে যায় অনেক সীমাবদ্ধতা। ওই ভাষাগোষ্ঠীর মানুষ তখন কখনও বানানে, কখনও উচ্চারণে কিছুটা রদবদল করে নতুন নতুন শব্দ সৃষ্টি করে তার ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করে। অনেক সময় এত সব করেও তার প্রয়োজন মেটে না; তার প্রয়োজন পড়ে আরও অজস্র শব্দ। তখন একই বানানে, একই উচ্চারণে তারা ভিন্ন অর্থের ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে। এই তিনটি উপায়ে গঠিত শব্দসমূহ সমোচ্চারিত ও প্রায়-সমোচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ হিসেবে পরিচিত। যেমন:
ক. যুগল: দিন: দিবস, দীন: দরিদ্র পরিবর্তন কেবল বানানে, উচ্চারণে কোনো পার্থক্য নেই।
খ. যুগল চুড়ি: অলংকার বিশেষ, চুরি: চৌর্যবৃত্তি (একটি অপরাধকর্ম) [পরিবর্তন একই সঙ্গে বানানে ও উচ্চারণে]
গ. যুগল চাল চাউল, চাল কৌশল বানান বা উচ্চারণে কোনো পার্থক্য ঘটছে না, অথচ ভিন্ন অর্থবোধক নতুন শব্দ সৃষ্টি হচ্ছে।। যেমন: আমাদের বাসায় আজ চাল নেই।
তোমার চাল ধরতে পারছি না।
বাংলা অভিধানে এমন অসংখ্য শব্দ রয়েছে যেগুলোর জন্য আমরা পদে পদে বিড়ম্বনার মুখোমুখি হই। বানান একই, অথচ অর্থের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
হাত আসা-অভ্যস্ত হওয়া
গায়ে সওয়া- অভ্যস্ত হওয়া
গা লাগা- মনোযোগ দেয়া
পায়ে পড়া - খোশামুদে
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
সমার্থক শব্দ
সমার্থক শব্দের অর্থ হলো সমার্থবোধক বা একার্থবিশিষ্ট শব্দ। বাংলা শব্দ ভাণ্ডারে কিছু শব্দ আছে যা অন্য একটি শব্দের প্রতিশব্দ অর্থাৎ অন্য একটি শব্দের অনুরূপ অর্থ প্রকাশ করে, এরূপ সম-অর্থ জ্ঞাপক ভিন্ন শব্দকে সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ বলে। প্রতিটি সমার্থক শব্দেই থাকে ভিন্ন ভিন্ন ব্যঞ্জনা, ভিন্ন ভিন্ন ইতিহাস। সমার্থক শব্দের মাধ্যমে শব্দ ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হয়, সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং রচনায় শব্দ বৈচিত্র্য আসে।
মূল শব্দ | সমার্থক শব্দ বা একার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ | মূল শব্দ | সমার্থক শব্দ বা একার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ |
| আল্লাহ্ | অন্তর্যামী, ঈশ্বর, খোদা, জগদীশ্বর, জগন্নাথ, দেব, ধাতা, প্রভু, বিধাতা, বিশ্বপতি, ভগবান, পরমাত্মা, মনিব, সুর, সৃষ্টিকর্তা, স্রষ্টা | অগ্নি | অনল, আগুন, কৃশানু, দহন, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, বৈশ্বানর, শিখা, সর্বভুক, সর্বশুচি, পাবন। |
| অন্ধকার | অমা, অমানিশা, আঁধার, আঁধিয়ার, তম, তমঃ, তমসা, তিমির, তমিগ্র, শর্বর | অশ্রু | অশ্রুবারি, আঁখি-নীর, চোখের জল, নয়নজল, নেত্রজল, লোর |
| আলো | উদ্ভাস, আভা, জ্যোতি, দীপ্তি, দ্যুতি, নূর, প্রভা, বিভা, ভাতি | আনন্দ | আহলাদ, আমোদ, খুশি, পুলক, সুখ, প্রমোদ, প্রীতি, ফুর্তি, হর্ষ, হরষ |
| আকাশ | অন্তরীক্ষ, অম্বর, অভ্র, অনন্ত, আসমান, গগন, ব্যোম, নীলিমা, দ্যুলোক, শূন্য, নভঃ | ইচ্ছা | অভিপ্রায়, অভিলাষ, আগ্রহ, আকাঙ্ক্ষা, কামনা, বাঞ্ছা, বাসনা, মনোরথ, সাধ |
| ইতি | অবসান, অন্তিম, অন্ত্য, বিরাম, যবনিকা, শেষ, সমাপ্তি | ঊর্মি | কল্লোল, জোয়ার, ঢেউ, তরঙ্গ, বীচি, লহর, লহরী, হিল্লোল |
| উচ্ছ্বাস | উল্লাস, বিকাশ, স্ফূর্তি, স্ফুরণ | ঋণ | কর্জ, দেনা, ধার, হাওলাত |
| কন্যা | মেয়ে, তনয়া, নন্দিনী, সুতা, দুহিতা, আত্মজা, দরিকা, পুত্রী, ঝি, বালা | কুহক | মায়া, ছলনা, ভেল্কি, ইন্দ্রজাল, প্রতারণা, ধোঁকা, ভ্রম, জাদু |
| কবুতর | কপোত, পায়রা, পারাবাত, নোটন, লোটন | কটি | কোমর, কাঁকাল, মাজা |
| কুল | জাতি, জাত, প্রবর, গোত্র, বংশ, সমাজ, বর্ণ, গোষ্ঠী, কৌলীন্য | কোকিল | পরভূত, পিক, কাকপুষ্ট, পরপুষ্ট, অন্যপুষ্ট, কলকণ্ঠ, বসন্তদূত, মধুবন |
| কূল | তীর, তট, সৈকত, কিনারা, ধার, পুলিন, আশ্রয়, পাড় | কান্না | কাঁদা, রোদন, রোনাজারি, ক্রন্দন, কাঁদন, অশ্রুপাত |
| কাক | বায়স, পরভূৎ | কান | কর্ণম, শ্রবণ, শ্রুতি, শ্রবণেন্দ্রিয় |
| কেশ | চুল, অলক, কুন্তল, চিকুর, শিরোজ, শিরসিজ | কপাল | ললাট, ভাগ্য, ভাল, অদৃষ্ট, নিয়তি, নসিব, অলিক, বরাত |
| কপোল | গাল, গণ্ড (গণ্ডদেশ) | কলহ | ঝগড়া, বিবাদ, বিরোধ, কোন্দল, দ্বন্দ্ব, ঝগড়া-ঝাঁটি |
| ক্রোধ | রাগ, রোষ, গোসা, কোপ, উম্মা, উত্তেজনা | কুঁড়ি | কোরক, মুকুল, কলিকা, কলি, অফোটা ফুল |
| কলা | কদলী, রম্ভা, পত্রগোটা | কুটুম্ব | আত্মীয়, জ্ঞাতি, স্বগোত্রজ ব্যক্তি |
| কালো | অসিত, কৃষ্ণ, শ্যাম, শ্যামল, কানাই | খবর | সংবাদ, সন্দেশ, বার্তা, ফরমান, তথ্য, সমাচার, তালাস |
| কথা | বাণী, উক্তি, বচন, কথন, বচঃ, বাক্য, ভাষা, জবান, বাক্, বুলি, বোল | গঙ্গা | জাহ্নবী, ভাগীরথী, গোমতী, কাবেরী, সুরধনী |
| কেশব | বিষ্ণু, কৃষ্ণ, গোপাল, জনার্দন | গন্তব্য | অভীষ্ট, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, মনজিল |
| খড়গ | কৃপাণ, অসি, তরবারি, তলোয়ার | ঘোড়া | ঘোটক, বাজী, অশ্ব, তুরগ, তুরঙ্গ, তুরঙ্গম, হয় |
| খ্যাতি | যশ, প্রসিদ্ধি, সুনাম, কীর্তি, সুখ্যাতি, অনিন্দ্য, নন্দিত | চোখ | অক্ষি, চক্ষু, নয়ন, নেত্র, লোচন, আঁখি, সিডর |
| গরু | গো, গাভী, ধেনু, পয়স্বিনী | জ্যোৎস্না | চন্দ্রিমা, চন্দ্রিকা, কৌমুদী, জোছনা, চন্দ্রালোক, চাঁদনী (কবিতায়) |
| ঘর | গৃহ, আলয়, আবাস, নিকেতন, নিবাস, আগার, বাটি, সদন, ভবন, ধাম | জিজ্ঞাসা | প্রশ্ন, শুধানো, পুছা, জেরা |
| চাঁদ | চন্দ্র, চন্দ্রমা, ইন্দু, সুধাংশু, সিতাংশু, হিমাংশু, হিমকর, বিধু, নিশাপতি, নিশাকর, সুধাকর, শশাঙ্ক, শশধর, শশী, সোম, মৃগাঙ্ক, দ্বিজরাজ, রজনীকান্ত, সিতকর, কলানাথ, কলানিধি, কুমুদনাথ, রাকেশ, সুধাময় | জল/পানি | অম্বু, অপ, নীর, পানি, সলিল, বারি, উদক, পয়, পয়ঃ, তোয়, প্রাণদ, বারুণ |
| ঢেউ | ঊর্মি, তরঙ্গ, লহর, লহরী, উর্মিলহরী, জোয়ার, বীচি, কল্লোল, উল্লোল, হিল্লোল | ঝড় | ঝটিকা, প্রভঞ্জন, ঝঞ্ঝা, তুফান, বাত্যা |
| তীর | তট, শর, বাণ, শায়ক, অবধি, পুলিন, আশ্রয় | দেহ | অঙ্গ, গাত্র, গা, গতর, কায়া, কলেবর, তনু, শরীর |
| দোকান | আপণ, বিপণি, পণ্য-বিচিত্রা, পণ্যগৃহ, পণ্যশালা | দিন | দিবস, দিবা, বাসর, অহ, অহ্ন, বার, রোজ |
| দক্ষ | নিপুণ, পটু, পারদর্শী, কর্মঠ, কর্মণ্য | দরিদ্র | নির্ধন, দীন, বিত্তহীন, কাতরহীন, গরিব, অসহায় |
| দর্প | দম্ভ, অহংকার, গর্ব, আস্ফালন, বড়াই | ধন | অর্থ, বিত্ত, সম্পদ, সম্পত্তি, বিভব, বৈভব, ঐশ্বর্য, দৌলত |
| নদী | তটিনী, সরিৎ, শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বতী, স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, প্রবাহিনী, গিরি নিঃস্রাব, গাঙ, মন্দাকিনী, কূলবর্তী, স্রোতোবহা, সমুদ্রবল্পতা, সমুদ্রকান্তা, কল্লোলিনী, কলম্বিনী | নারী | স্ত্রী, স্ত্রীলোক, মেয়ে, রমণী, মহিলা, কামিনী, ভামিনী, অঙ্গনা, রামা, বামা, ললনা, অবলা, আওরত, সামন্তিনী, মানবী, জেনানা, কান্তা |
| নর | পুরুষ, মর্দ, মানুষ, মানুষ্য, মানব, লোক, জন | পিতা | বাবা, আব্বা, জনক, জন্মদাতা, পিতৃ |
| পাখি | পক্ষী, বিহগ, বিহঙ্গম, দ্বিজ, খেচর, খগ, গরুড় | পুষ্প | কুসুম, রঙ্গন, ফুল, প্রসূন |
| পুকুর | পুষ্করিণী, জলাশয়, দীঘি, সরোবর | পেষণ | দলন, মর্দন, বাটা, চূর্ণন |
| পতাকা | কেতন, নিশান, ধ্বজা, ঝাণ্ডা, বৈজয়ন্তী | প্রাসাদ | অট্টালিকা, দালান, বালাখানা |
| পাথর | পাষাণ, প্রস্তর, মণি, অশ্বা, শিল, শিলা, কাঁকর | পয়জার | পাদুকা, জুতা, চর্মপাদুকা |
| পৃথিবী | বসুমতী, বসুন্ধরা, বসুধা, বসুমাতা, ধরা, ধরিত্রী, ধরাতল, মেদিনী, মহি, পৃথ্বী, অদিতি, অবনি, অখিল, ভূ, ভূলোক, ভুবন, ভূতল, উর্বী, বিশ্ব, জগৎ, ক্ষিতি, ক্ষিতিতল, মর্ত্য, দুনিয়া, জাহান, ধরণি, ধরাধাম | পদ্ম | পঙ্কজ, রাজীব, উৎপল, কমল, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, তামরস, নলিনী, কোকনদ, সরোজ, সরসিজ, পুষ্কর |
| পুত্র | ছেলে, তনয়, নন্দন, সুত, আত্মজ, তনুজ, পুত, দুলাল, দারক | প্রভাত | ঊষা, ভোর, প্রত্যূষ |
| পর্বত | অদ্রি, অচল, গিরি, পাহাড়, শৈল, নগ, ভূধর, মহীধর, মেদিনীধর, ক্ষিতিধর, শৃঙ্গী | পথ | রাস্তা, মার্গ, অয়ন, সরণি, সড়ক, নিগম, নির্গমন, রাহা, বাট |
| বিদ্যুৎ | তড়িৎ, সৌদামিনী, বিজলী, দামিনী, ক্ষণপ্রভা, অণুপ্রভা, চপলা, চঞ্চলা, শম্পা | বন | অরণ্য, অরণ্যানী, অটবি, জঙ্গল, কানন, বিপিন, বনানী, কুঞ্জ, কান্তার, গহন |
| পা | পদ, পাদ, চরণ | বজ্র | বাজ, অশনি, কুলিশ, দম্ভোলি, কঠিন, দৃঢ় |
| বায়ু | অনিল, বাতাস, বাত, বায়, পবন, সমীর, সমীরণ, মরণত, হাওয়া, গন্ধবহ, মরুৎ, মারুত, প্রভঞ্জন, শব্দবহ, জগদ্বল, জগৎপ্রাণ, সদাগতি, মাতরিশ্বা | বিজ্ঞ | বুধ, মনীষী, জ্ঞানী, পণ্ডিত, বিদ্বান, প্রতিভাধর, অভিজ্ঞ, বিচক্ষণ |
| ব্যবসায়ী | ব্যবসাদার, বেনে, বানিয়া, বণিক, সওদাগর, দোকানি | বিবর | গর্ত, গহ্বর, ছিদ্র, রন্ধ্র, বিল |
| ভ্রমর | মধুকর, মধুলেহ, মধুপ, ভোমরা, মৌমাছি, অলি, ভূঙ্গ, ষত্পদ, শিলীমুখ, দ্বিরেফ | ভয়ানক | ভীষণ, ভীম, খুব, ভয়ঙ্কর, ভয়াবহ, অত্যন্ত, অতিশয়, ভীতিজনক |
| বানর | শাখামৃগ, বাঁদর, বান্দর | ভয় | ডর, ভীতি, ত্রাস, দর, শঙ্কা, আতঙ্ক |
| মন | চিত্ত, অন্তর, দিল, হিয়া, হৃদয়, পরাণ, মানসলোক, চিত্তপট, মনোজগৎ | মনোযোগ | অভিনিবেশ, মনোনিবেশ, প্রণিধান, একাগ্রতা, মনঃসংযোগ |
| মাতা | মা, জননী, গর্ভধারিণী, প্রসূতি, আম্মা, মাতৃ, জন্মদাত্রী, জনিকা | মেঘ | অভ্র, জলদ, জলধর, বারিদ, নীরদ, জীমূত, বলাহক, তোয়দ, পয়োদ, কাদম্বিনী |
| মৃদু | নরম, কোমল, হালকা, আলতো, অল্প, ধীর, হালকা | মৃত্যু | ইন্তেকাল, ইহলোকত্যাগ, সংবরণ, চিরবিদায়, জান্নাতবাসী হওয়া, দেহত্যাগ, প্রাণত্যাগ, পঞ্চত্বপ্রাপ্তি, পরলোকগমন, লোকান্তর গমন, শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা, স্বর্গলাভ, মরণ, নিপাত, মারা যাওয়া, পটল তোলা, মহাপ্রয়াণ |
| ময়ূর | কলাপী, কেকা, কেকী, শিখী, শিখণ্ডী, শিখণ্ডক, বহী/বর্হী, বর্হিণ | রানি | রাজ্ঞী, সম্রাজ্ঞী, সুলতানা, মহিষী, রাজপত্রী, বেগম। |
| মঙ্গল | কল্যাণ, শুভদ, শুভ, সু, সুখ, সমৃদ্ধি | রাজা | নরেন্দ্র, নরেশ, নৃপ, নৃপাল, নৃপেন্দ্র, নৃপতি, নরপতি, ভূপতি, ভূপাল, মহীপাল, অধিরাজ, শাহ্, বাদশা। |
| যুদ্ধ | আহব, রণ, সমর, সংগ্রাম, বিগ্রহ, লড়াই, সংঘাত। | লাল | রক্ত, লোহিত, অরুণ, শোণ, রাতুল। |
| রাত্রি | রাত, শর্বরী, নিশি, নিশা, অমানিশা, নিশীথ, নিশীথিনী, বিভাবরী, রজনী, যামিনী, ত্রিযামা, তামসী। | সমুদ্র | সাগর, অর্ণব, জলধি, জলনিধি, উদধি, পয়োধি, পাথার, পারাবার, বারিধি, রত্নাকর, সিন্ধু, গাভ, নদীকান্ত, বারীশ, জীমূত, নীলাম্বু, অনুধি, দরিয়া। |
| রক্ত | রুধির, শোণিত, রাঙা, রক্তিম, রঞ্জিত, লাল, আবির, লহু | সত্ত্ব | সত্তা, অস্তিত্ব, স্বত্ত্বগুণ, প্রকৃতি, স্বভাব, আত্মা, প্রাণ, পরাক্রম, সাহস, প্রাণী, নির্যাস। |
| সূর্য | আদিত্য, তপন, দিবাকর, দিনকর, ভাস্কর, ভানু, মার্তণ্ড, রবি, সবিতা, অর্ক, দিনেশ, কিরণমালী, অংশুমালী, বিভাকর, বিভাবসু, মিহির, আফতাব, বিবস্বান, প্রভাকর, সুর, অরুণ। | স্বামী | নাথ, কান্ত, দয়িত, পতি, মনিব, প্রভু। |
| সাপ | সর্প, অহি, আশীবিষ, নাগ, ফণী, ভুজঙ্গ, ভুজঙ্গম, উরগ, পন্নগ, কাকোদর, বায়ুভূক, বিষধর, হরি। | সিংহ | কেশরী, মৃগেন্দ্র, মৃগরাজ, মৃগপতি, পারীন্দ্র, পশুরাজ, হরি, হর্যক্ষ। |
| সাদা | শুক্ল, শুভ্র, শুচি, শ্বেত, সিত, বিশদ, গৌর, ধবল, সফেদ | স্বর্গ | দেবলোক, দ্যুলোক, বেহেশত, সুরলোক, ত্রিদিব, ত্রিদশালয়, অমরালয়, অমরা, অমরাবতী, ইন্দ্রলোক, বেহেশত (ফারসি), জান্নাত (আরবি)। |
| স্ত্রী | ভার্যা, পত্নী, সহধর্মিণী, অর্ধাঙ্গিণী, দার, দারা, দয়িতা, জায়া, কলত্র, বনিতা, কান্তা, বন্ধু, বউ। | সনাতন | নিত্য, চিরস্থায়ী, চিরন্তন, শাশ্বত। |
| সুন্দর | মনোরম, মনোহর, শোভন, সুদৃশ্য, চারু, সুচারু, সুদর্শন, ললিত, সুশ্রী, সুকান্ত, রম্য, রমণীয়, কান্তিমান, শোভাময়, লাবণ্যময়, অপরূপ, অনুপম। | শব্দ | ধ্বনি, রব, নাদ, নিনাদ, স্বন, নিশ্বন, আবার, আরব, আওয়াজ, স্বর। |
| স্বর্ণ | সোনা, সুবর্ণ, কাঞ্চন, হেম, হিরণ, কবুর, মহাধাতু। | হাতি | হস্তী, কুঞ্জর, কর, করী, গজ, মাতঙ্গ, রদী, রদনী, দ্বিপ, দ্বিরদ, ঐরাবত, পিল। |
| শত্রু | অরি, দুশমন, অমিত্র, অবন্ধু, বিরোধী, রিপু, বৈরী, প্রতিপক্ষ। | হাত | কর, বাহু, ভুজ, হস্ত, পাণি, হস্তক। |
| শ্রীঘর | জেল, জেলখানা, কারাগার, কারা, হাজতখানা, কয়েদখানা, বন্দিশালা। | ||
| হরিণ | মৃগ, কুরঙ্গ, ঋষ্য, শম্বর, সারঙ্গ, সুনয়ন। |
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more